নিজস্ব প্রতিবেদক
বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে নতুন সুযোগের ইঙ্গিত দিয়েছে ওয়াশিংটন। যদি রপ্তানি পণ্যের উৎপাদনে ২০ শতাংশ বা তার বেশি কাঁচামাল যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা হয়, তবে সেই অনুপাতে শুল্ক ছাড় পাওয়া যাবে।
সোমবার ঢাকার গুলশানে মার্কিন দূতাবাসে বিজিএমইএ নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে এ ঘোষণা দেন যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি দপ্তরের (ইউএসটিআর) কর্মকর্তারা। বৈঠকে নেতৃত্ব দেন ইউএসটিআরের সহকারী প্রতিনিধি ব্রেন্ডেন লিঞ্চ।
বৈঠক শেষে বিজিএমইএ এক বিবৃতিতে জানায়, মার্কিন নির্বাহী আদেশ অনুযায়ী ২০ শতাংশ বা তার বেশি মার্কিন কাঁচামাল ব্যবহার করা হলে ২০ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক থেকে অব্যাহতি মিলবে। তবে ট্রেসেবিলিটি বা কাঁচামালের উৎস নিশ্চিত করার বিষয়ে এখনো কাজ চলছে বলে জানায় মার্কিন পক্ষ।
এ সময় শ্রম আইন সংস্কারের প্রসঙ্গও আসে আলোচনায়। ইউএসটিআরের প্রতিনিধিরা বলেন, আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখতে বাংলাদেশকে শ্রম আইন আইএলও-র গাইডলাইন অনুসারে সংশোধন করতে হবে।
গত আগস্টে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের ওপর পাল্টা শুল্ক ৩৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২০ শতাংশে নামালেও এখনো মোট শুল্ক ৩৬.৫ শতাংশ রয়ে গেছে। বিজিএমইএ নেতারা এই হার আরও কমানোর দাবি জানান।
বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু বলেন, “২০ শতাংশ ট্যারিফ সুবিধা একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। তবে বাস্তবে ৩৬.৫ শতাংশ শুল্ক বাংলাদেশের রপ্তানির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।” তিনি ‘স্ট্যাকিং মেথড’ ব্যবহার করে শুল্ক সমন্বয়ের প্রস্তাব দেন।
বৈঠকে পোশাক শিল্পের শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতারা উপস্থিত ছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা বাংলাদেশের ইতিবাচক পরিবর্তনের প্রশংসা করেন এবং আমদানি বাড়ানো হলে ভবিষ্যতে শুল্ক আরও কমানোর আশ্বাস দেন।






















































