ঢাকা, ২৬ এপ্রিল
আগামী অর্থবছরের বাজেটে মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) এর আওতা বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে (এনবিআর)। একই সঙ্গে কর ও ভ্যাট ফাঁকি রোধে প্যাকেটজাত পণ্যে নজরদারি জোরদার করা হবে বলে জানিয়েছেন এনবিআর চেয়ারম্যান ।
গতকাল রাজধানীতে (ইআরএফ)-এর সঙ্গে প্রাক-বাজেট আলোচনায় তিনি এসব তথ্য জানান।
সভায় জানানো হয়, বর্তমানে দেশে প্রায় ১ কোটি ২৮ লাখ টিআইএন থাকলেও এর একটি বড় অংশ নিষ্ক্রিয়। মৃত ব্যক্তি বা করযোগ্য আয় নেই—এমন টিআইএন বাতিলের উদ্যোগ নেওয়া হবে। সক্রিয় করদাতারা নির্ধারিত সময়ে রিটার্ন জমা না দিলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নোটিশ পাঠানো হবে।
এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, ভ্যাট ফাঁকি ঠেকাতে সিগারেটসহ বিভিন্ন প্যাকেটজাত পণ্যে কিউআর কোড যুক্ত করা হবে। ক্রেতারা স্মার্টফোনে স্ক্যান করে ভ্যাট পরিশোধের তথ্য যাচাই করতে পারবেন। ভবিষ্যতে এই ব্যবস্থা সব প্যাকেটজাত পণ্যে চালু করা হবে। ভ্যাট ফাঁকির তথ্য দিলে পুরস্কারের ব্যবস্থাও রাখা হবে।
প্রাক-বাজেট আলোচনায় উপস্থিত বলেন, সরকার কর-জিডিপি অনুপাত বাড়াতে চাইলেও বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে তা চ্যালেঞ্জিং। টাকার অবমূল্যায়ন ও উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে শিল্পখাত চাপের মধ্যে রয়েছে।
তিনি আরও জানান, আগামী বাজেটে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বাড়ানো হবে। পাশাপাশি ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ (এসএমই) এবং স্টার্টআপ খাতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধান এবং নেপাল থেকে জলবিদ্যুৎ আমদানির বিষয়েও আলোচনা চলছে বলে সভায় জানানো হয়।
এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, রাজস্ব ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে আগামী অর্থবছরে ট্রান্সফার প্রাইসিং কমিশনারেট গঠনের পরিকল্পনাও রয়েছে। পাশাপাশি আমানতের ওপর আরোপিত আবগারি শুল্কের সীমা বাড়ানোর প্রস্তাব বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।






















































