চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে অবস্থিত বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেপজা) অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগের প্রবাহ বাড়ছে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৩৩৩.৭২ মিলিয়ন ডলারের ২৩টি বিনিয়োগ চুক্তি হয়েছে।
বেপজার হিসাবে, এ পর্যন্ত মোট ৪৮টি কোম্পানির সঙ্গে লিজ চুক্তি হয়েছে। এতে প্রতিশ্রুত বিনিয়োগের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১.০২৮ বিলিয়ন ডলার। এসব বিনিয়োগে প্রায় ১ লাখ ৩১ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত বাস্তবায়িত বিনিয়োগ ৬১.৪১ মিলিয়ন ডলার।
পাঁচ কোম্পানির উৎপাদন শুরু
ইতিমধ্যে পাঁচটি প্রতিষ্ঠান উৎপাদন ও রপ্তানি শুরু করেছে। এর মধ্যে চারটি চীনা মালিকানাধীন এবং একটি দক্ষিণ কোরীয়। তারা সম্মিলিতভাবে ১৭.৩ মিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে এবং প্রায় ৪ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে।
প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে—ফেংচুন কম্পোজিট ম্যাটেরিয়াল কোং, কাইসি লঞ্জারি বাংলাদেশ, কেপিএসটি শ্যুজ, মিংদা নিউ ম্যাটেরিয়াল এবং ইয়ংচ্যাং বিডি কোং লিমিটেড। এ পাঁচ প্রতিষ্ঠানের মোট প্রস্তাবিত বিনিয়োগ ১৫৬.১৬ মিলিয়ন ডলার।
আরও চারটি প্রতিষ্ঠান দ্রুতই উৎপাদন শুরু করবে। এগুলো হলো—গুডউড ঢাকা, জিবিন টেকনোলজি, তাইশেং ওয়েবিং এবং ইয়ংচ্যাং বিডি কোং লিমিটেড।
বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়ছে
বেপজার নির্বাহী পরিচালক (জনসংযোগ) এ এস এম আনোয়ার পারভেজ বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে শুল্কছাড়ের আগেই আমরা দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ভালো সাড়া পাচ্ছি। প্রকল্প চলমান অবস্থায়ই পাঁচটি প্রতিষ্ঠান উৎপাদন শুরু করেছে।’
তিনি জানান, মোট ৪৮টি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে লিজ চুক্তি হয়েছে। গার্মেন্টস ও জুতা থেকে শুরু করে উন্নত ফার্মাসিউটিক্যালস, টোব্যাকো মেশিন এবং ড্রোন পর্যন্ত নানা পণ্য তৈরির পরিকল্পনা আছে।
বেপজার কর্মকর্তারা বলেন, আরও ১৫টি প্রতিষ্ঠান পাইপলাইনে রয়েছে। এর মধ্যে পাঁচ থেকে সাতটির সঙ্গে শিগগিরই চুক্তি হতে পারে। এছাড়া আরও ৩৫–৪০টি প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগে আগ্রহ জানিয়েছে।



















































