ঢাকা, ২০ জুন — প্রধানমন্ত্রী আগামী সপ্তাহে পাঁচ দিনের সফরে চীন যাচ্ছেন। সফরে দুই দেশের মধ্যে ১৫টির বেশি চুক্তি, সমঝোতা স্মারক ও প্রটোকল সই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ ও চীন একটি নতুন যৌথ ইশতেহার ঘোষণা করতে যাচ্ছে, যা দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের পাঁচ দশক পূর্তিতে রাজনৈতিক ও কৌশলগত অংশীদারত্বের নতুন বার্তা দেবে।
সফরকালে প্রধানমন্ত্রী বৈঠক করবেন চীনের প্রেসিডেন্ট এবং প্রধানমন্ত্রী –এর সঙ্গে। এছাড়া চীনের শীর্ষ রাজনৈতিক নেতৃত্বের সঙ্গে একাধিক সৌজন্য সাক্ষাৎ ও দ্বিপক্ষীয় আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, আলোচনায় উন্নয়ন সহযোগিতা, মোংলা বন্দরের আধুনিকায়ন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, কারিগরি শিক্ষা এবং গণমাধ্যম সহযোগিতাসহ বিভিন্ন বিষয় গুরুত্ব পাবে। সফরে চীনের বৈশ্বিক উন্নয়ন উদ্যোগ (GDI)-এ বাংলাদেশের যুক্ত হওয়ার ঘোষণা আসতে পারে বলেও জানা গেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ভারত, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান ভূরাজনৈতিক প্রতিযোগিতার প্রেক্ষাপটে এই সফর বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। দেশের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে কৌশলগত ভারসাম্য বজায় রাখার পাশাপাশি চীনের সঙ্গে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও গভীর করার সুযোগ তৈরি হবে।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী ‘সামার ডাভোস’ নামে পরিচিত -এ অংশ নেবেন এবং আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ ও জলবায়ু বিষয়ক বিভিন্ন কর্মসূচিতে যোগ দেবেন। সফর শেষে ২৬ জুন ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে।





















































