চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে গড়ে ওঠা বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল বিনিয়োগকারীদের নতুন ভরসার জায়গা হয়ে উঠছে। জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ২৩টি চুক্তির মাধ্যমে এখানে এসেছে ৩৩৩ দশমিক ৭২ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিনিয়োগ।
২০২২ সালে চালুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ৪৮টি কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি করেছে বেপজা। এসব কোম্পানি প্রায় ১ দশমিক ০২ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগে শিল্প স্থাপনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে কর্মসংস্থান হবে প্রায় এক লাখ ৩১ হাজার মানুষের।
এরই মধ্যে চীনের চারটি এবং দক্ষিণ কোরিয়ার একটি কোম্পানি উৎপাদন শুরু করেছে। রপ্তানি হয়েছে ১৭ দশমিক ৩ মিলিয়ন ডলার। চাকরি পেয়েছেন প্রায় চার হাজার কর্মী। আরও চারটি কোম্পানি শিগগিরই উৎপাদনে যাবে।
এ বছরই ১২টি কোম্পানি ২০৮ দশমিক ৫৩ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে নতুন শিল্প স্থাপন করবে। বিনিয়োগকারীদের মধ্যে চীন, দক্ষিণ কোরিয়া, শ্রীলঙ্কা, যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি আছে বাংলাদেশি উদ্যোক্তারাও।
বেপজা বলছে, এখানে আসবাবপত্র, ব্যাগ, ই-বাইক, সোলার প্যানেল ও ফার্মাসিউটিক্যালসসহ নানা খাতে শিল্প গড়ে উঠছে। পানি, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত হয়েছে। চলছে বর্জ্য শোধনাগার নির্মাণের কাজও।
২০১৮ সালে অনুমোদিত মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী, এ অঞ্চলে হবে ৫৩৯টি শিল্প প্লট। সব মিলিয়ে বিনিয়োগ দাঁড়াতে পারে প্রায় ৪ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারে, কর্মসংস্থান হবে প্রায় পাঁচ লাখ মানুষের।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চট্টগ্রাম বন্দরের কাছাকাছি অবস্থান ও প্রস্তুত অবকাঠামোই বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করছে। গার্মেন্টসের বাইরে বহুমুখী শিল্প গড়ে ওঠায় বাংলাদেশের রপ্তানি খাতেও নতুন দিগন্ত খুলবে।




















































