আন্তর্জাতিক ডেস্ক
গাজায় ইসরায়েলের গণহত্যামূলক অভিযানের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিয়েছে নরওয়ে। দেশটির সরকার ঘোষণা দিয়েছে—ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু তাদের দেশে প্রবেশ করলেই তাকে গ্রেপ্তার করা হবে।
বুধবার (১২ আগস্ট) নরওয়ের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রেয়াস ক্রাভিচ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) যে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে, তা বাস্তবায়ন করা আমাদের আইনি বাধ্যবাধকতা।”
২০২৪ সালের ২১ নভেম্বর যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে আইসিসি। এ ছাড়া ইসরায়েলের সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্ট ও হামাসের কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধেও একই ধরনের পরোয়ানা জারি করা হয়।
ক্রাভিচ বলেন, “আইসিসির অন্যতম সদস্য হিসেবে নরওয়ে আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ। গুরুতর অপরাধের দায়ে অভিযুক্তদের জবাবদিহির আওতায় আনা আমাদের দায়িত্ব।”
এর আগে নরওয়ের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসপেন বার্থ এইডে আইসিসির পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, “গুরুতর অপরাধে জবাবদিহি নিশ্চিত করতে আইসিসি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।”
অন্যদিকে, আইসিসির রায়কে ‘ইহুদিবিদ্বেষী’ আখ্যা দিয়ে নেতানিয়াহু দাবি করেন, “এই সিদ্ধান্তের কোনো গুরুত্ব নেই।” সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী গ্যালান্টও রায়টির তীব্র সমালোচনা করে বলেন, “এটি হামাসের সহিংসতাকে বৈধতা দিয়েছে।”






















































