বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ঢাকা-নারিতা রুট পুনরায় চালু করলেও যথাযথ বাণিজ্যিক ও আর্থিক পরিকল্পনার অভাবে ২১ মাসের মাথায় আবারও তা বন্ধ হয়ে গেছে।
বিমানের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রতিটি ফ্লাইটে গড়ে ৯৫ লাখ টাকা লোকসান হয়েছে। গড়ে ৬৯ শতাংশ আসন পূর্ণ থাকলেও লোকসান দাঁড়ায় ২১৫ কোটির বেশি।
নারিতা রুট প্রথম চালু হয় ১৯৭৯ সালে। কয়েকবার বন্ধ-চালুর পর ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে নতুন করে যাত্রা শুরু করে। যাত্রীরা স্বাগত জানালেও উড়োজাহাজ ঘাটতি ও লোকসানের কারণে এ বছরের ১ জুলাই থেকে ফ্লাইট বন্ধ করে দেওয়া হয়।
অ্যাভিয়েশন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পর্যাপ্ত গবেষণা, ব্র্যান্ডিং ও বাজার বিশ্লেষণ ছাড়াই রুটটি চালু করা হয়েছিল। এতে শুধু বিমানের নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের বিমান পরিবহনের ভাবমূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
বিমানের তৎকালীন এমডি শফিউল আজিম অবশ্য দাবি করেছেন, আর্থিক সম্ভাবনা যাচাই না করার অভিযোগ সত্য নয়। তিনি জানান, অল নিপ্পন ও কানাডিয়ান এয়ারলাইনসের সঙ্গে কোড শেয়ারিংয়ের পরিকল্পনা ছিল, তবে তা বাস্তবায়িত হয়নি।























































