নির্বাচিত সরকারের অগ্রাধিকার ও প্রয়োজন বিবেচনায় ধাপে ধাপে অর্থনৈতিক সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছে সরকার। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সঙ্গে নতুন ঋণ কর্মসূচি নিয়ে আলোচনায় এ অবস্থানের কথা তুলে ধরা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার ঢাকায় আইএমএফ প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, সংস্কার কার্যক্রম নির্বাচিত সরকারের নীতিগত অগ্রাধিকার অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে। সময় ও প্রয়োজন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা হবে।
তিনি জানান, নতুন ঋণ কর্মসূচির ভিত্তি নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে এবং আগেই নির্ধারিত নীতিগত বিষয়গুলোর ওপরই কর্মসূচির কাঠামো গড়ে তোলা হবে।
গত ১২ জুলাই আইএমএফের একটি প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ সফরে আসে। পাঁচ দিনের এ সফরে তারা সরকারের অর্থনৈতিক নীতি, সংস্কার পরিকল্পনা, বাজেট, রাজস্ব, ব্যাংকিং খাত, ভর্তুকি, বৈদেশিক ঋণ ব্যবস্থাপনা ও অন্যান্য সামষ্টিক অর্থনৈতিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করে।
সফর শেষে আইএমএফ জানায়, চলতি ২০২৬–২৭ অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ৫ শতাংশ হতে পারে। তবে আর্থিক ও ব্যাংকিং খাতে প্রয়োজনীয় সংস্কার না হলে প্রবৃদ্ধি ৩ শতাংশে নেমে আসার আশঙ্কা রয়েছে।
সরকার বর্তমানে দেশের অর্থনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নতুন একটি ঋণ কর্মসূচির আওতায় ৪ থেকে ৪ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার অর্থায়ন চায়। অর্থ মন্ত্রণালয়ের আশা, চলমান মূল্যায়ন ইতিবাচক হলে আগামী অক্টোবরে আইএমএফ–বিশ্বব্যাংকের বার্ষিক সভার পর নতুন ঋণ কর্মসূচি নিয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হতে পারে।























































