ফ্রি ট্রেড জোন (এফটিজেড) এলাকায় আমদানি বাণিজ্য পরিচালনার জন্য নতুন নীতিগত কাঠামো জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর লক্ষ্য হলো আমদানি লেনদেন সহজ করা এবং ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে কার্যকর ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা।
বৃহস্পতিবার এ-সংক্রান্ত একটি সার্কুলার দেশের সব অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকে পাঠানো হয়। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, প্রচলিত বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ বিধি অনুসরণ করে এডি ব্যাংক ও অফশোর ব্যাংকিং ইউনিট (ওবিইউ) এফটিজেড–সংক্রান্ত লেনদেন পরিচালনা করতে পারবে।
নীতিমালায় বলা হয়েছে, চালানভিত্তিক আমদানির ক্ষেত্রে পণ্য বিক্রি বা উৎপাদনে ব্যবহারের আগ পর্যন্ত এর মালিকানা বিদেশি সরবরাহকারীর কাছেই থাকবে। ফলে ব্যাংকগুলো এসব পণ্যকে নিজেদের মজুদ বা আর্থিক দায় হিসেবে বিবেচনা করবে না।
এছাড়া এফটিজেড থেকে দেশের অভ্যন্তরে পণ্য বিক্রি হলে তা ক্রেতার জন্য আমদানি এবং বিক্রেতার জন্য রপ্তানি হিসেবে গণ্য হবে। এ ক্ষেত্রে প্রচলিত EXP ও IMP প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে এবং সব ধরনের মূল্য পরিশোধ অবাধে রূপান্তরযোগ্য বৈদেশিক মুদ্রায় করতে হবে।
নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, চালানের আওতায় আনা পণ্য সর্বোচ্চ ৪৮ থেকে ৬০ মাস পর্যন্ত ফ্রি ট্রেড জোনে রাখা যাবে। আর বায়ার্স ক্রেডিট, সাপ্লায়ার্স ক্রেডিটসহ মেয়াদি আমদানির সর্বোচ্চ সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ২৭০ দিন।
ব্যবসায়ীদের মতে, এই নীতিমালা দেশীয় উৎপাদনকারী ও রপ্তানিকারকদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে এবং সরবরাহ ব্যবস্থার দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি বাণিজ্য সম্প্রসারণেও সহায়ক হবে।























































