গণভোট হবে কি না, কবে হবে বা আদৌ হবে কি না—এ বিষয়ে এখনও পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনে কোনো প্রস্তাব আসেনি বলে জানিয়েছেন ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। তিনি বলেছেন, “সরকার যেভাবে সিদ্ধান্ত নেবে, নির্বাচন কমিশন সেভাবেই পদক্ষেপ নেবে।”
মঙ্গলবার আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি। আখতার আহমেদ বলেন, “ইসি মূলত নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে থাকে; সিদ্ধান্ত আসে অন্য জায়গা থেকে। গণভোট সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে একসঙ্গে হবে কি আলাদা করে হবে, সেটাও সরকারের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করে।”
তিনি আরও বলেন, “আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতি বা গণভোট—যে বিষয়ই হোক, যতক্ষণ পর্যন্ত সরকার থেকে কিছু বলা না হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত কমিশনের কিছু করার নেই।”
ইসি সচিব জানান, আসন্ন ফেব্রুয়ারি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রয়োজনীয় নির্বাচনি সরঞ্জাম ইতোমধ্যে কমিশনের সংগ্রহে এসেছে।
প্রবাসী ভোটার নিবন্ধনে অগ্রগতি
এসময় তিনি জানান, এখন পর্যন্ত ১১টি দেশে এনআইডি সেবা চালু হয়েছে, এবং আরও ৮টি দেশে চালুর প্রস্তুতি চলছে। প্রবাসীদের জন্য একটি নিবন্ধন অ্যাপ তৈরি করা হয়েছে, যা অক্টোবরের শেষ বা নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে চালু হবে।
নিউইয়র্ক ও ওয়াশিংটনে ইতোমধ্যে নিবন্ধন কার্যক্রম চলছে, শিগগিরই মিয়ামি ও লস অ্যাঞ্জেলেসেও চালু হবে বলে জানান আখতার আহমেদ। এছাড়া ওমান, দক্ষিণ আফ্রিকা, মালদ্বীপ ও জর্ডানে কারিগরি দল পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।
পর্যবেক্ষক সংস্থা যাচাইয়ে কঠোরতা
জাতীয় নির্বাচনের আগে ৭৩টি স্থানীয় পর্যবেক্ষক সংস্থাকে প্রাথমিকভাবে বাছাই করেছে ইসি। তবে এসব সংস্থার কিছু নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় তালিকা কিছুটা কমতে পারে বলে ইঙ্গিত দেন সচিব।
তিনি বলেন, “আমরা বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেয়েছি। এর মাধ্যমে প্রকৃত পর্যবেক্ষক চিহ্নিত করা সম্ভব হবে, যারা নিরপেক্ষভাবে কাজ করবে।”























































