নির্বাচনে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, যারা ভোটের পরিবেশ নষ্ট করতে চায়, তাদের প্রতি মানবিক হওয়া হবে না। এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হবে।
রোববার বিকেলে নির্বাচন ভবনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি। বৈঠকে নির্বাচনপূর্ব আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, যৌথ বাহিনীর কার্যক্রম, আচরণবিধি প্রতিপালন এবং সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশ বজায় রাখার বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
ইসি সানাউল্লাহ বলেন, যারা দস্যুতা করতে চায়, সহিংসতায় জড়ায় কিংবা ভোটে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নির্বাচন পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়—এমন যেকোনো কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে কমিশন নির্দেশ দিয়েছে।
তিনি জানান, এখন থেকে মাঠপর্যায়ে যৌথ বাহিনীর অভিযান শুরু হবে। অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও অপরাধীদের আটকে অভিযান চালানো হবে। একই সঙ্গে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর পর প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার কার্যালয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় জড়িতদের বিষয়ে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না বলেও জানান নির্বাচন কমিশনার।
ইসি সানাউল্লাহ বলেন, তিন বাহিনীর প্রধানের সঙ্গে আলোচনায় তারা সমন্বিত প্রস্তুতির কথা জানিয়েছেন। নির্বাচনের সময় এক লাখ সেনাসদস্য মোতায়েন থাকবে। এর মধ্যে এক-তৃতীয়াংশ ইতিমধ্যে মাঠে নামানো হয়েছে, বাকি সদস্যরা পর্যায়ক্রমে মোতায়েন হবেন।
তিনি আরও বলেন, তিন বাহিনীর প্রধান আশ্বস্ত করেছেন—তাদের বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে এবং একটি ভালো ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে তারা বদ্ধপরিকর।






















































