গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার ‘মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচি ঠেকাতে আগের দিন রাতেই গণভবনে বৈঠক করে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল বলে জানিয়েছেন পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন।
মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাক্ষ্য দিতে গিয়ে তিনি এ তথ্য জানান। আসামি থেকে রাজসাক্ষী হওয়া সাবেক আইজিপি বলেন, বৈঠকে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার বোন শেখ রেহানা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, তিন বাহিনীর প্রধানসহ ২৭ জন উপস্থিত ছিলেন।
তিনি জানান, প্রথম বৈঠকে আন্দোলন দমন ও গোয়েন্দা প্রতিবেদনের বিষয়ে আলোচনা হলেও পরিস্থিতি অবনতির কারণে বৈঠক মুলতবি হয়। পরে রাতে আবার বৈঠক বসে ৫ আগস্টের কর্মসূচি ঠেকানোর বিস্তারিত পরিকল্পনা নেওয়া হয়। এ সময় পুলিশ ও সেনাবাহিনীর যৌথ দায়িত্ব পালনের সিদ্ধান্ত হয়।
জবানবন্দিতে মামুন বলেন, ৫ আগস্ট সকাল থেকে ঢাকায় বিভিন্ন পথ দিয়ে ছাত্র-জনতা প্রবেশ করতে থাকে। দুপুরের দিকে জানতে পারেন শেখ হাসিনা ক্ষমতা ছাড়ছেন। ওইদিন বিকেলে সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টারে তাকে ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের ক্যান্টনমেন্টে নেওয়া হয়।
তিনি আরও জানান, আন্দোলন চলাকালে যাত্রাবাড়ীতে অবস্থানকালে তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামানকে একটি ভিডিও দেখানো হয়, যেখানে গুলি চালিয়ে আন্দোলন দমনের প্রস্তাব উঠে আসে।
উল্লেখ্য, ৬ আগস্ট আইজিপি হিসেবে তার নিয়োগ বাতিল করা হয় এবং ৩ সেপ্টেম্বর ক্যান্টনমেন্ট থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।























































