আন্তর্জাতিক ডেস্ক | আপডেট: ১৮ জুন ২০২৫
ইরান-ইসরায়েল চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইসরায়েলিদের উদ্দেশে সতর্ক বার্তা দিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। এক্স (সাবেক টুইটার)-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ‘ইসরায়েলিদের সামরিক ও গোয়েন্দা স্থাপনা রয়েছে এমন এলাকাগুলো এড়িয়ে চলা উচিত।’
আব্বাস দাবি করেন, ইরানের সেনাবাহিনী একটি ইসরায়েলি কমান্ড ও গোয়েন্দা সদর দপ্তর এবং আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তু সফলভাবে ধ্বংস করেছে। যদিও এসব স্থানের নাম প্রকাশ করেননি তিনি।
সোরোকা হাসপাতাল নিয়ে বিতর্ক
আরাগচির দাবি অনুযায়ী, ওই হামলার বিস্ফোরণে ইসরায়েলের সোরোকা মেডিক্যাল সেন্টার আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যেখানে গাজায় আহত ইসরায়েলি সেনাদের চিকিৎসা চলছিল।
অন্যদিকে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ অভিযোগ করেছে, হাসপাতালটিকে লক্ষ্য করেই ইরান হামলা চালিয়েছে, যা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন লঙ্ঘনের শামিল। তবে ইরান পক্ষ বলছে, তাদের হামলার লক্ষ্য ছিল পাশেই থাকা গোয়েন্দা ও সামরিক ঘাঁটি।
খামেনির বার্তা: ‘ভয় পাবেন না’
ইসরায়েলি আক্রমণের জবাবে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি দেশটির জনগণকে ধৈর্য ও সাহস বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন। এক্সে দেওয়া বার্তায় তিনি বলেন,
‘শত্রু যদি বুঝতে পারে আপনি তাদের ভয় পাচ্ছেন, তাহলে তারা আপনাকে ছাড়বে না। আপনারা এখন পর্যন্ত যেভাবে আচরণ করেছেন, সেই আচরণই আরও দৃঢ়তার সঙ্গে চালিয়ে যান।’
তিনি আরও বলেন, ইরানের পাল্টা প্রতিরোধের মুখে ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা চাচ্ছে, যা তার ভাষায় “জায়নিস্ট শাসনব্যবস্থার দুর্বলতা ও অক্ষমতার প্রতীক”।
ইরান: প্রতিশোধ অব্যাহত থাকবে
আরাগচি বলেন, ‘গত সপ্তাহে ইসরায়েল অবৈধ যুদ্ধ শুরু করার পর শত শত নিরীহ ইরানি নাগরিক নিহত হয়েছেন। ইরানের সেনাবাহিনী তাদের ওপর হামলা চালানো অপরাধীদের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেওয়া অব্যাহত রাখবে।’
আন্তর্জাতিক উদ্বেগ বাড়ছে
চলমান এই সামরিক সংঘর্ষকে ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ ক্রমেই বাড়ছে। জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা উভয়পক্ষকে সংঘর্ষ নিরসনের আহ্বান জানালেও এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ পিছু হটার ইঙ্গিত দেয়নি।






















































