দেশে ও এর উপসর্গে একদিনে সর্বোচ্চ ১৭ শিশুর মৃত্যুর খবর জানিয়েছে । সোমবার (৪ মে) দেওয়া তথ্যে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ১৫ শিশু উপসর্গ নিয়ে এবং ২ শিশু নিশ্চিত হামে মারা গেছে।
একই সময়ে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে আরও ১৫৪ শিশু।
চলতি বছরে এখন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে ৫২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ২৫৯ শিশু। সব মিলিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩১১-এ।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে, ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সন্দেহভাজন রোগীর সংখ্যা ৪১ হাজার ৭৯৩ এবং নিশ্চিত রোগী ৫ হাজার ৪৬৭। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ২৮ হাজার ৮৪২ জন, যাদের বেশিরভাগই চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছে।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সংক্রমণ এখনো উচ্চমাত্রায় থাকায় দ্রুত পরিস্থিতির উন্নতির সম্ভাবনা কম। সংক্রমণ কমতে শুরু করার অন্তত এক মাস পর মৃত্যুর হার কমতে পারে।
এদিকে, স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেছেন, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে সংক্রমণ কমে আসতে পারে। ভ্যাকসিন কার্যকর হতে সাধারণত তিন সপ্তাহ সময় লাগে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, জ্বরে আক্রান্ত শিশুদের দ্রুত আলাদা রাখা এবং স্থানীয় হাসপাতালগুলোতে পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা জোরদার করা জরুরি। পাশাপাশি, বড় পরিসরে টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।























































