নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে গড়ে ওঠা জাপানি অর্থনৈতিক অঞ্চল এখন আর শুধু পরিকল্পনায় সীমাবদ্ধ নেই—ধীরে ধীরে বাস্তব রূপ পাচ্ছে। -এ ইতিমধ্যে ১২টি দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠান প্রায় ৩৫৩ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
এর মধ্যে তিনটি প্রতিষ্ঠান উৎপাদন শুরু করেছে। বাকিগুলো বিভিন্ন পর্যায়ে রয়েছে, আর পাইপলাইনে আছে আরও প্রায় ৩০টি কোম্পানি।
জাপান ও সরকারের যৌথ উদ্যোগে ১ হাজার একর জমির ওপর গড়ে ওঠা এই অঞ্চলে ইতোমধ্যে অবকাঠামো উন্নয়ন অনেকটাই এগিয়েছে। সড়ক, পানি ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রস্তুত হলেও গ্যাস সংযোগ এখনো পুরোপুরি চালু হয়নি।
বর্তমানে চালু থাকা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে , এবং । এসব কারখানায় হোম অ্যাপ্লায়েন্স, ভোগ্যপণ্য ও রপ্তানিমুখী পণ্য উৎপাদন হচ্ছে।
বিনিয়োগকারীদের তালিকায় জার্মানি, জাপান, চীন, যুক্তরাজ্য ও সুইডেনের প্রতিষ্ঠানও রয়েছে। বিভিন্ন খাতে—টেক্সটাইল কেমিক্যাল, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, প্যাকেজিং ও এফএমসিজি—বিনিয়োগ বাড়ছে, যা এই অঞ্চলকে বহুমুখী শিল্পকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত প্রায় ২৩০ একর জমি হস্তান্তর করা হয়েছে, চলতি বছরেই আরও জমি দেওয়া হবে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, জাতীয় নির্বাচনের পর বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্র, চীন, জাপান ও কোরিয়াসহ বিভিন্ন দেশের ৩০টির বেশি প্রতিষ্ঠান এখানে বিনিয়োগে আগ্রহ দেখাচ্ছে।
বর্তমানে প্রায় ৩ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে এই অঞ্চলে। আগামী ৬ থেকে ৭ বছরে ৯০ থেকে ১০০টি প্রতিষ্ঠান এখানে কাজ শুরু করলে মোট বিনিয়োগ ১ থেকে ২ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
তবে গ্যাস সংযোগসহ কিছু অবকাঠামোগত চ্যালেঞ্জ এখনো রয়ে গেছে। এসব সমস্যা সমাধান হলে জাপানি অর্থনৈতিক অঞ্চলটি দেশের অন্যতম বড় শিল্পকেন্দ্রে পরিণত হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।




















































