ঢাকা: করোনা টিকা কেনার ক্ষেত্রে ২২ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। বিভিন্ন সূত্রের অভিযোগ অনুযায়ী, টিকা ক্রয় প্রক্রিয়ায় ব্যাপক অনিয়ম ও আর্থিক দুর্নীতি হয়েছে, যা দেশের জনগণের অর্থের অপচয় এবং স্বচ্ছতার অভাব নির্দেশ করে।
অভিযোগের মূল পয়েন্ট:
- মূল্য অতিরিক্তভাবে নির্ধারণ: অভিযোগ উঠেছে, বাজারের তুলনায় প্রয়োজনের চেয়ে অনেক বেশি দামে টিকা কেনা হয়েছে।
- প্রক্রিয়ায় অস্বচ্ছতা: আন্তর্জাতিক সরবরাহকারীদের সঙ্গে চুক্তি প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার অভাব দেখা গেছে।
- মধ্যস্থতাকারীদের ভূমিকা: টিকা কেনার সময় মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে।
তদন্তের অগ্রগতি
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এ বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে। কমিশনের একজন কর্মকর্তার মতে, অভিযোগের সত্যতা যাচাই করার জন্য প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। সালমান এফ রহমানসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য রেকর্ড করা হবে।
সালমান এফ রহমানের প্রতিক্রিয়া
অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে সালমান এফ রহমান বলেন, “এই অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। করোনা মহামারি মোকাবিলায় আমরা সর্বোচ্চ স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করেছি। আমি তদন্তে সব ধরনের সহযোগিতা করব।”
বিশেষজ্ঞদের মতামত
বিশ্লেষকরা বলছেন, যদি অভিযোগ প্রমাণিত হয়, তাহলে এটি দেশের জন্য একটি বড় আর্থিক ক্ষতি এবং জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক আঘাত। তারা আরও উল্লেখ করেন যে, এমন অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের চিহ্নিত করা এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা জরুরি।
সরকারের অবস্থান
সরকারি পর্যায়ে এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি। তবে সংশ্লিষ্ট মহল থেকে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে যে, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।
জনগণের প্রতিক্রিয়া
টিকা কেনার ক্ষেত্রে এ ধরনের দুর্নীতির অভিযোগ সাধারণ জনগণের মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার করেছে। তারা দ্রুত তদন্ত সম্পন্ন করে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।























































