লন্ডন: বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান অভিযোগ করেছেন যে, বাংলাদেশে গণতন্ত্র ও বিএনপিকে ধ্বংস করতে গভীর ষড়যন্ত্র চলছে। শনিবার লন্ডন থেকে দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে এক ভার্চুয়াল বৈঠকে তিনি এ অভিযোগ করেন।
তারেক রহমান বলেন, “সরকারের একদলীয় শাসন প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বিএনপির বিরুদ্ধে নির্যাতন-নিপীড়ন বাড়ানো হয়েছে। একইসঙ্গে, আন্তর্জাতিক শক্তির মদদে দেশের সার্বভৌমত্ব বিপন্ন করার ষড়যন্ত্র চলছে।”
তারেক রহমানের বক্তব্যের মূল বিষয়:
- বিরোধী দল দমন: সরকারের মদদে বিএনপির নেতাকর্মীদের গ্রেফতার, মিথ্যা মামলা ও নির্যাতন বেড়েই চলেছে।
- গণতন্ত্রের হুমকি: ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়ে দেশকে একদলীয় শাসনের দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে।
- সার্বভৌমত্ব নিয়ে ষড়যন্ত্র: তারেক রহমান দাবি করেন, দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে ভেতর ও বাইরের ষড়যন্ত্র চলছে।
নতুন কর্মসূচির ঘোষণা
তারেক রহমান দলের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “যে কোনো মূল্যে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করাই আমাদের লক্ষ্য। জনগণের অধিকার ফিরিয়ে আনতে আমরা শিগগিরই দেশব্যাপী নতুন আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করব।”
সরকারের প্রতিক্রিয়া
তারেক রহমানের বক্তব্যের বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে অতীতে শাসক দল এ ধরনের অভিযোগকে “ভিত্তিহীন” ও “রাজনৈতিক চক্রান্ত” হিসেবে অভিহিত করেছে।
বিশ্লেষকদের মতামত
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, তারেক রহমানের এ ধরনের বক্তব্য দেশের রাজনীতিতে নতুন উত্তেজনার সৃষ্টি করতে পারে। বিশেষ করে, আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিএনপির কর্মসূচি ও সরকারের পদক্ষেপের ওপর দেশের ভবিষ্যৎ রাজনীতি নির্ভর করছে।























































