স্কুলপর্যায়ে সংস্কৃতিচর্চা নিশ্চিত করা গেলে দেশে উগ্রবাদের কোনো জায়গা থাকবে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ।
রোববার আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, মানবিক মূল্যবোধ ও নৈতিক চেতনা গড়ে তুলতে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সংগীত, নাটক, বিতর্ক ও চিত্রাঙ্কনের মতো কার্যক্রমে অংশগ্রহণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ইতিবাচক চিন্তায় উদ্বুদ্ধ হয় এবং দলগত মনোভাব ও সহনশীলতা বাড়ে।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা একজন শিক্ষার্থীর জীবনের ভিত্তি তৈরি করে। এই ভিত্তিকে আরও শক্তিশালী করতে পাঠ্যক্রমে সাংস্কৃতিক কার্যক্রম বিস্তৃত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে এবং সংস্কৃতি খাতের বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও করা হবে।
সভায় উপস্থিত সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বলেন, একটি সৃজনশীল ও সচেতন প্রজন্ম গড়ে তুলতে সাংস্কৃতিক চর্চার বিকল্প নেই। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে এবং দ্রুতই এসব কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।
এ সভায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।























































