মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম বাতিল করেছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ২৭% শিক্ষার্থী, অর্থাৎ ৬,৮০০ জনেরও বেশি আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী, তাদের বৈধতা হারানোর ঝুঁকিতে পড়েন। তবে, হার্ভার্ডের আইনি পদক্ষেপের পর একটি ফেডারেল আদালত এই নিষেধাজ্ঞা সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে।
প্রেক্ষাপট:
ডিপার্টমেন্ট অফ হোমল্যান্ড সিকিউরিটির সচিব ক্রিস্টি নোয়েম হার্ভার্ডকে একটি চিঠিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদেশি শিক্ষার্থীদের তথাকথিত “অবৈধ ও সহিংস কার্যক্রম” সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সরবরাহ করতে বলেন। হার্ভার্ড এই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করে, যুক্তি দেয় যে এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতা ও শিক্ষার্থীদের সাংবিধানিক অধিকার লঙ্ঘন করবে।
হার্ভার্ডের প্রতিক্রিয়া:
হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় এই পদক্ষেপকে বেআইনি ও রাজনৈতিক প্রতিশোধমূলক বলে অভিহিত করে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট অ্যালান গারবার বলেন, “আমরা আমাদের স্বাধীনতা ও সাংবিধানিক অধিকার রক্ষা করব এবং এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেব।”
আদালতের স্থগিতাদেশ:
হার্ভার্ডের আইনি চ্যালেঞ্জের পর, বোস্টনের একটি ফেডারেল আদালত এই নিষেধাজ্ঞা সাময়িকভাবে স্থগিত করে। বিচারক অ্যালিসন বারোজ রায় দেন যে, এই সিদ্ধান্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষার্থীদের জন্য “তাৎক্ষণিক ও অপূরণীয় ক্ষতি” ডেকে আনতে পারে।
প্রতিক্রিয়া ও প্রভাব:
এই সিদ্ধান্তের ফলে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়টি জানিয়েছে যে, তারা তাদের শিক্ষার্থীদের পাশে থাকবে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবে।




















































