ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদিকে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত শুটার ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে দাউদ খানকে অবৈধ পথে ভারতে পালাতে সহায়তার অভিযোগ উঠেছে। এই সহায়তা দিয়েছেন ফিলিপ নামের এক ব্যক্তি—এমন তথ্য দিয়েছেন গ্রেপ্তার দুই আসামি সিবিয়ন দিউ ও সঞ্জয় চিসিম।
বৃহস্পতিবার ঢাকার আদালতে রিমান্ড শুনানিকালে আসামিরা এসব তথ্য জানান। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির মতিঝিল জোনাল টিমের পুলিশ পরিদর্শক ফয়সাল আহম্মেদ তাদের সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশীতা ইসলামের আদালত প্রত্যেকের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
শুনানিতে তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, বিভিন্ন তথ্য-প্রমাণে উঠে এসেছে—ফয়সালের সহযোগী হিসেবে কাজ করেছেন এই দুই আসামি। তারা তাকে দেশ ছাড়তে সহায়তা করেছেন বলেও প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে রিমান্ড প্রয়োজন।
রাষ্ট্রপক্ষের পক্ষে পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী বলেন, আসামিদের বাড়ি ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট এলাকায়। তারা আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য জুয়েল আরেংয়ের ভাগ্নে। ফয়সালকে পালাতে সহযোগিতার বিষয়ে সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে।
শুনানিকালে আদালতে বক্তব্য দিতে গিয়ে সিবিয়ন দিউ বলেন, গত ১৩ ডিসেম্বর ফিলিপের সঙ্গে তার কথা হয়। একটি পেইজে ফিলিপের নাম দেখে তিনি ফোন করেন। তখন ফিলিপ জানান, তিনি দুজনকে পার করে দিয়েছেন। তবে বর্তমানে ফিলিপ কোথায় আছেন, তা তিনি জানেন না।
অন্য আসামি সঞ্জয় চিসিম আদালতে বলেন, ঘটনার বিষয়ে তিনি কিছু জানতেন না। পরে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হওয়ার দিন বিষয়টি বুঝতে পারেন।
এর আগে বুধবার ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট ও ধোবাউড়া এলাকা থেকে সিবিয়ন দিউ ও সঞ্জয় চিসিমকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ নিয়ে এ মামলায় এখন পর্যন্ত মোট নয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।






















































