জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের দায়িত্ব অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে নিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের। একই সঙ্গে তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনও ওই সনদের ভিত্তিতেই আয়োজনের দাবি জানান।
বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব দাবি তুলে ধরেন।
আহমদ আবদুল কাদের বলেন, জনগণ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে দায়িত্ব দিয়েছিল ফ্যাসিবাদীদের বিচার, প্রয়োজনীয় সংস্কার ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের জন্য। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে, সংস্কারের গুরুত্বপূর্ণ অনেক বিষয় পরবর্তী নির্বাচিত সরকারের হাতে ছেড়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্র চলছে। ফলে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি এখনও হয়নি।
তিনি আরও বলেন, “সংস্কার যদি পূর্ণাঙ্গ না হয়, তাহলে ভবিষ্যতে নির্বাচিত সরকার এসব বাস্তবায়ন করবে কি না, তা নিয়ে জনমনে সন্দেহ রয়েছে। তাই অন্তর্বর্তী সরকারকেই জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের দায়িত্ব নিতে হবে। দ্রুত সনদ ঘোষণা করে তা কার্যকর করার জন্য আইনি ভিত্তি প্রদান করতে হবে।”
তিনি অভিযোগ করেন, অন্তর্বর্তী সরকার জনগণের প্রত্যাশার বিপরীতে গিয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গান-নাচের শিক্ষক নিয়োগে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। অথচ দীর্ঘদিন ধরে এসব প্রতিষ্ঠানে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের দাবি জানানো হচ্ছে। গানের শিক্ষক নিয়োগ দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
খেলাফত মজলিসের মহাসচিব অবিলম্বে উচ্চ কক্ষে পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন, জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি, বিচার কার্যক্রম দৃশ্যমান করা, ফ্যাসিবাদী দল ও সহযোগীদের রাজনৈতিক কার্যক্রম স্থগিত এবং প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের দাবি জানান।























































