জুলাই গণঅভ্যুত্থানের এক বছর পূর্তি স্মরণে সরকার ১ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত ৩৬ দিনব্যাপী বিশেষ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। আজ মঙ্গলবার প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানায়।
সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী জানান, কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য হলো “জুলাইয়ের মতো ঐক্যবদ্ধ আবেগকে” পুনর্জাগরণ করা। ১ জুলাই দোয়া ও প্রার্থনা, স্মারক ক্যালেন্ডার বিতরণ এবং গণস্বাক্ষর কর্মসূচির মাধ্যমে মাসব্যাপী আয়োজন শুরু হবে। ১৪ জুলাই থেকে শুরু হবে মূল ইভেন্ট পর্ব, যার মধ্যে থাকবে শহীদ স্মরণ, স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ, ভিডিও শেয়ারিং, নাট্য ও সংগীতানুষ্ঠান, প্রজেকশন ম্যাপিং, এবং VR শো।
প্রতিদিনের কর্মসূচিতে থাকবে একটি করে থিম ও ভিডিও, যেমন: ‘মোরা ঝঞ্ঝার মতো উদ্দাম’, ‘আমি চিৎকার করে কাঁদিতে চাহিয়া’, ‘কথা ক’, ‘শিকল-পরা ছল’, ‘আওয়াজ উডা’, ‘কত বিপ্লবী বন্ধুর রক্তে রাঙা’, ‘দেশটা তোমার বাপের নাকি’, ‘রক্ত গরম মাথা ঠাণ্ডা’, ‘আভাস’ প্রভৃতি।
অনুষ্ঠানসমূহের মধ্যে উল্লেখযোগ্য: প্রতীকী কফিন মিছিল, স্মারক স্থাপন, LED ইনস্টলেশন, তথ্যচিত্র প্রদর্শনী, শিশু শহীদদের জন্য গ্রাফিক নভেল, বিদেশি দূতাবাসে প্রদর্শনী, রক্তদান কর্মসূচি, এবং শাহবাগ থেকে শহীদ মিনার পর্যন্ত শোভাযাত্রা।
৫ আগস্ট ‘শোনো মহাজন’ থিমে শহীদ পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ, এয়ার শো, বিজয় মিছিল ও ‘জুলাইয়ের ৩৬ দিন’ শিরোনামে ডকুমেন্টারি প্রদর্শন দিয়ে কর্মসূচির সমাপ্তি হবে।























































