ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের এক মাস কেটে গেলেও এখনো আলাদা কোনো তহবিল গঠন হয়নি। ফলে ডাকসুর সব কার্যক্রম চলছে নেতাদের ব্যক্তিগত উদ্যোগে ও স্পনসরশিপের সহায়তায়।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ডাকসুর নামে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নির্দিষ্ট ফি নেওয়া হলেও এর জন্য আলাদা ব্যাংক হিসাব নেই। ওই টাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব আয়ে যুক্ত হয়।
ডাকসুর কোষাধ্যক্ষ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন্যান্স বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক এইচ এম মোশারফ হোসেন বলেন, ‘বিব্রতকর পরিস্থিতি। কলম-কাগজ কেনার টাকাও আমার পকেট থেকে দিতে হচ্ছে।’
তিনি জানান, আবরার ফাহাদের স্মরণসভার জন্য কনফারেন্স হলের ভাড়াও তিনি নিজ বিভাগের তহবিল থেকে ধার করে পরিশোধ করেছেন। আপাতত নিয়মিত খরচের জন্য এক লাখ টাকা বরাদ্দের আবেদন করা হয়েছে।
ভিপি সাদিক কায়েম বলেন, প্রশাসনের সমন্বয়হীনতায় শুরুতে বেশ জটিলতায় পড়তে হয়েছে। ‘কোনো কাঠামো পাইনি, তাই শুরুতেই সব স্ট্রাকচার গুছিয়ে নিচ্ছি,’ বলেন তিনি।
এর মধ্যে ডাকসুর নেতারা ‘বাস ট্র্যাক অ্যাপ’, মেডিকেল সেন্টার আধুনিকায়ন, মাসে একটি করে মেডিকেল ক্যাম্প ও রিকশা নিয়ন্ত্রণ প্রকল্প হাতে নিয়েছেন।
স্বাস্থ্য সম্পাদক এম এম আল মিনহাজ জানান, তুরস্কের এনজিও ‘টিকা’র সহায়তায় মেডিকেল সেন্টারে মডেল ফার্মেসি ও পূর্ণাঙ্গ প্যাথলজি সেবা চালু হবে।
তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোর খাবারের মান উন্নয়নে এখনো দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি। ডাকসুর সদস্য রায়হান উদ্দীন বলেন, ‘সব হলে পুষ্টিবিদের সহায়তায় নতুন মেন্যু তৈরি করব। খাবারের মান ধরে রাখতে শিক্ষক তদারকির ব্যবস্থাও হবে।’























































