📍 নিজস্ব প্রতিবেদক || ঢাকা || ৩ জুলাই ২০২৫
বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে ভারতের কাছে দেওয়া প্রত্যর্পণ অনুরোধ এখনো কার্যকর রয়েছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী এ বিষয়ে ভারতের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন।
তিনি বলেন,
“সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ করেছে, এবং প্রয়োজনে আবারও বিষয়টি ভারত সরকারকে স্মরণ করিয়ে দেওয়া হবে।”
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিশেষ ব্রিফিংয়ে এই মন্তব্য করেন উপদেষ্টা। তিনি জানান, ভারত সরকার এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি, তবে আলোচনা চালু রয়েছে।
🔹 কী বলছে সরকার?
- ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে ভারত সরকারের কাছে ‘নোট ভারবাল’ পাঠিয়ে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাওয়া হয়।
- ভারতীয় কর্তৃপক্ষ অনুরোধটি গ্রহণ করলেও এখনো কোনো নির্দিষ্ট প্রতিক্রিয়া দেয়নি।
- ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে ইন্টারিম সরকারের মুখপাত্র মো. ইউনূস দিল্লি সফরে এই বিষয়টি মোদি সরকারের সামনে উত্থাপন করেন।
🔍 প্রেক্ষাপট:
শেখ হাসিনা ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের পর দেশ ত্যাগ করেন। তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন মামলা, মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং রাষ্ট্রীয় দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। এরপর থেকেই তাঁকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করার দাবি উঠছে।
⚖️ আইনি প্রক্রিয়া ও প্রত্যর্পণ চুক্তি:
- ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে ২০১৩ সালে স্বাক্ষরিত দ্বিপাক্ষিক প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায়ই এই অনুরোধ করা হয়েছে।
- চুক্তি অনুযায়ী, উভয় দেশ তাদের নিজ নিজ বিচারাধীন অপরাধীদের ফিরিয়ে দিতে বাধ্য।
🗣️ রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন:
- “এটি শুধু আইনগত বিষয় নয়, বরং রাজনৈতিক-রাজনৈতিক সম্পর্কের ওপরও নির্ভর করছে।”
- “ভারতের সাড়া পাওয়ার জন্য কূটনৈতিক চাপ ও আস্থার সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”























































