মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ইসির সিদ্ধান্ত জানানো হয় এবং এনসিপির আহ্বায়ক বরাবর চিঠি পাঠানো হয়। সেখানে উল্লেখ করা হয়, এনসিপির আবেদন প্রাথমিকভাবে গ্রহণযোগ্য হলেও নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা ২০০৮ অনুযায়ী ‘শাপলা’ প্রতীক তালিকাভুক্ত না থাকায় বরাদ্দ দেওয়া যাবে না।
দলটির পক্ষ থেকে প্রথম তিনটি পছন্দের প্রতীক হিসেবে শাপলা, কলম ও মোবাইল উল্লেখ করা হয়েছিল। তবে শাপলা বাদ দিয়ে তালিকাভুক্ত অব্যবহৃত প্রতীক থেকে একটি বেছে নিতে বলা হয়েছে।
ইসির দেওয়া তালিকায় রয়েছে বেগুন, কলা, বেলুন, লিচু, স্যুটকেস, টিফিন ক্যারিয়ার, আলমিরা, খাট, উটপাখি, কাপ-পিরিচ, ঘুড়ি, দালান, চার্জার লাইট, কম্পিউটার, টেবিল, টেলিফোন, ফ্রিজ, মোরগ, কলম, তরমুজ, বাঁশি, লাউ, চিংড়ি, থালা, বেঞ্চ, প্রজাপতি, ফুটবল, ফুলের টব, বালতি, বৈদ্যুতিক পাখা, মোবাইল ফোন, শঙ্খ, সেলাই মেশিন, হরিণ, হাঁস, হেলিকপ্টারসহ মোট ৫০টি প্রতীক।
এদিকে, এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী অভিযোগ করে বলেছেন, শাপলা প্রতীক বরাদ্দে কোনো আইনি বাধা না থাকলেও ইসি তাদের ‘হাস্যকর প্রতীক’ দিতে চাইছে। তিনি বলেন, “আমাদের জন্য আলমিরা, উটপাখি, কাপ-পিরিচ, থালাবাটি রাখা হয়েছে। এগুলো জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। ইসি স্বেচ্ছাচারী আচরণ করছে।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন, অন্যান্য দলের প্রতীক জাতীয় প্রতীকের উপাদান থেকে নেওয়া হলেও এনসিপির ক্ষেত্রে শুধু আপত্তি তোলা হচ্ছে। “প্রতীক না পেলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক উপায়ে সংগ্রাম চালিয়ে যাব,” বলেন তিনি।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আরও দাবি করেন, “জাতীয় লীগ নামে একটি দল নিবন্ধন পেতে যাচ্ছে। অথচ তাদের কোনো রাজনৈতিক কার্যক্রমই জনগণ দেখেনি। এতে ইসির নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন আরও ঘনীভূত হচ্ছে।”
তিনি আওয়ামী লীগ আমলে নিবন্ধন পাওয়া রাজনৈতিক দলগুলোর নিবন্ধন বাতিলেরও দাবি জানান।























































