পুরনো ক্লাবের মুখোমুখি হয়ে আবেগ তাড়া করলেও মাঠের ফলাফলে কোনো রকম সান্ত্বনা খুঁজে পাননি লিওনেল মেসি। ক্লাব বিশ্বকাপের দ্বিতীয় রাউন্ডে ইউরোপিয়ান জায়ান্ট প্যারিস সাঁ-জারমাঁ (পিএসজি) ৪-০ গোলে বিধ্বস্ত করেছে মেসির বর্তমান ক্লাব ইন্টার মায়ামিকে। নিশ্চিত করেছে কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট।
আটলান্টায় হোঁচট খায় মায়ামি
রবিবার যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে একদম শুরু থেকেই নিয়ন্ত্রণ নেয় পিএসজি। আক্রমণাত্মক ফুটবলের দারুণ প্রদর্শনীতে প্রথমার্ধেই ৪ গোল করে ফরাসি চ্যাম্পিয়নরা। এর একটিও মেসির দলের জবাব দেওয়ার সামর্থ্য ছিল না।
ম্যাচের ৬ মিনিটেই এগিয়ে যায় পিএসজি। বাঁ দিক থেকে হাকিমির বাড়ানো দুর্দান্ত ক্রসে জোড়ালো শটে লক্ষ্যভেদ করেন পর্তুগিজ মিডফিল্ডার জোয়াও নেভেস। এরপরও আক্রমণের গতি কমায়নি পিএসজি। ৩৯ মিনিটে আবারও গোল করেন নেভেস, এবার নিচু শটে মায়ামির গোলরক্ষককে পরাস্ত করে। ৪৪ মিনিটে আত্মঘাতী গোলে স্কোরলাইন হয় ৩-০। প্রথমার্ধের শেষ মিনিটে হাকিমি নিজেও গোল করে ব্যবধান বাড়িয়ে দেন ৪-০।
দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা ব্যর্থ
বিরতির পর কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে ইন্টার মায়ামি। মাঝমাঠে কিছুটা সক্রিয় দেখা যায় লিওনেল মেসিকে। কিন্তু পিএসজির গোছানো রক্ষণভাগের বিপরীতে তেমন কোনো সফলতা পায়নি তারা। দ্বিতীয়ার্ধে দুই দলই একাধিক পরিবর্তন করে। ৬১ মিনিটে মাঠে নামেন উসমান দেম্বেলে। যদিও আর কোনো গোল হয়নি, ফলে ৪-০ ব্যবধানেই শেষ হয় ম্যাচ।
পরের রাউন্ডে কাদের বিপক্ষে পিএসজি?
এই জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে পিএসজি। তাদের পরবর্তী প্রতিপক্ষ হবে ফ্লামেঙ্গো অথবা জার্মান চ্যাম্পিয়ন বায়ার্ন মিউনিখ—দুই দলের মধ্যকার জয়ীর মুখোমুখি হবে ফরাসি ক্লাবটি।
২০২৩ সালে পিএসজি ছেড়ে ইন্টার মায়ামিতে যোগ দিয়েছিলেন লিওনেল মেসি। তবে এই ম্যাচে প্রাক্তন ক্লাবের সামনে তার দল ছিল পুরোপুরি অসহায়। মাঠে পারফরম্যান্সে কোনো প্রভাব ফেলতে না পারলেও দর্শকরা বারবার মেসির নামে গলা মিলিয়েছেন—প্রমাণ করেছেন, ভালোবাসা এখনো অটুট।





















































