আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হলে পর্যায়ক্রমে জাতীয় স্বাস্থ্যবিমা (ন্যাশনাল হেলথ ইনস্যুরেন্স) এবং ডিজিটাল হেলথ কার্ড চালুর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলেছে, এর মাধ্যমে সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা হবে।
আজ বুধবার সন্ধ্যায় জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করা হয়। এতে মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্যখাতে ৩৭টি প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে স্বাস্থ্যখাতে বাজেট ধাপে ধাপে তিনগুণ বাড়ানোর কথাও বলা হয়েছে।
ইশতেহারে বলা হয়েছে, ৫ বছরের কম বয়সী শিশু এবং ৬০ বছরের ঊর্ধ্বে প্রবীণদের জন্য বিনা মূল্যে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা হবে। ক্ষমতায় গেলে প্রথম ছয় মাস থেকে এক বছরের মধ্যে বিদ্যমান সরকারি হাসপাতালগুলোর সেবার মান শতভাগ উন্নীত করার লক্ষ্যও নির্ধারণ করা হয়েছে।
দলটির ইশতেহারে চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মী-রোগীর অনুপাত আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার কথা বলা হয়েছে। শূন্য পদে দ্রুত নিয়োগ দিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, জেলা সদর হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ হাসপাতালগুলোর সক্ষমতা বাড়ানোর মাধ্যমে রাজধানীকেন্দ্রীক চাপ কমানোর পরিকল্পনার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ছাড়া প্রতিটি জেলায় পূর্ণাঙ্গ হাসপাতাল স্থাপন এবং জেলা সদর সরকারি হাসপাতালে অন্তত ৫ শয্যার ডায়ালাইসিস সেন্টার, আইসিইউ ও সিসিইউ স্থাপনের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। ইউনিয়ন ও গ্রামপর্যায়ে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা জোরদারে নিবন্ধিত স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ এবং ওষুধ সরবরাহ নিশ্চিত করার কথাও রয়েছে।
স্বাস্থ্যখাতে সুশাসন ও দুর্নীতি দমনে সরকারি প্রতিষ্ঠানের আর্থিক ক্রয়-বিক্রয়ের তথ্য পাবলিক ওয়েবসাইটে প্রকাশ এবং ই-জিপি চালুর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোতে কমিশন বাণিজ্যের মাধ্যমে অপ্রয়োজনীয় পরীক্ষা ও ওষুধ লেখার অনিয়ম বন্ধে আইন ও মনিটরিং জোরদারের প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়।
ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া ও অন্যান্য সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে জাতীয় কৌশল বাস্তবায়ন, অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধে কর্মপরিকল্পনা এবং দেশেই ভ্যাকসিন উৎপাদনের সক্ষমতা অর্জনের কথাও ইশতেহারে উল্লেখ করা হয়েছে।






















































