হঠাৎ করে জ্বালানির দাম সমন্বয় করলে সাধারণ মানুষের ওপর চাপ বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা । তিনি জানিয়েছেন, তাই মূল্য সমন্বয়ের ক্ষেত্রে ধাপে ধাপে এগোনোর পরিকল্পনা করছে সরকার।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) রাজধানীর -এ পরিকল্পনা কমিশনের এক সভা শেষে সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
তিতুমীর বলেন, বর্তমান সরকার সংকটকে সম্ভাবনায় রূপান্তরের নীতিতে এগোতে চায়। তবে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে হঠাৎ মূল্যবৃদ্ধি মানুষের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করতে পারে। এজন্য ধীরে ধীরে সমন্বয়ের পথ বেছে নেওয়ার চিন্তা করা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, ভবিষ্যৎ সংকট মোকাবিলায় খাদ্য নিরাপত্তার পাশাপাশি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কৌশলগত মজুদ গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। এ লক্ষ্যে পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (জিইডি) ২০৩০ সাল পর্যন্ত একটি পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত উন্নয়ন কাঠামো প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে।
এই কৌশলে অর্থনীতির পুনরুদ্ধার, স্থিতিশীলতা এবং পরবর্তী সময়ে প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করার ওপর জোর দেওয়া হবে। আগামী এক বছরের মধ্যে পুনরুদ্ধার কার্যক্রম বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
তিতুমীর বলেন, অতীতে অনেক পরিকল্পনা বাস্তবায়নের অভাবে কাগজেই সীমাবদ্ধ ছিল। নতুন কৌশলে সেই প্রবণতা থেকে সরে এসে বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা, কার্যকর বাস্তবায়ন পদ্ধতি এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে।
কর্মসংস্থান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্য থাকলেও শুধু প্রবৃদ্ধি নয়—কর্মসংস্থান সৃষ্টি বেশি গুরুত্বপূর্ণ। নতুন অর্থনৈতিক কৌশলে এ বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পাবে।
একই ব্রিফিংয়ে পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য ড. মনজুর হোসেন জানান, অর্থনৈতিক কৌশলকে একটি সমন্বিত পুনরুদ্ধার, পুনর্গঠন ও সংস্কার প্রক্রিয়া হিসেবে দেখা হচ্ছে। আগামী দুই মাসের মধ্যে খসড়া কৌশলপত্র প্রস্তুত এবং পরবর্তীতে অংশীজনদের মতামত নিয়ে চূড়ান্ত করা হবে।























































