প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, দেশের পর্যটন খাতকে পরিকল্পিত ও টেকসইভাবে এগিয়ে নিতে সরকার ‘জাতীয় পর্যটন মহাপরিকল্পনা’ প্রণয়নের কাজ এগিয়ে নিচ্ছে। এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শুরু হয়েছে এবং সমুদ্র অঞ্চলভিত্তিক পরিকল্পনাকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পর্যটন খাতের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে একটি সমন্বিত ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা অপরিহার্য। সেই লক্ষ্যেই বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় মহাপরিকল্পনা তৈরিতে কাজ করছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই পরিকল্পনায় বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে -এর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সংরক্ষণ এবং সেখানে পর্যটন সুবিধা উন্নয়ন। পাশাপাশি পটুয়াখালী জেলার কুয়াকাটা ও -আনোয়ারা উপকূল এলাকায় পর্যটন অবকাঠামো উন্নয়নের একটি প্রকল্প গ্রহণের সম্ভাব্যতা যাচাই করা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে কুয়াকাটা কেন্দ্রিক সাতটি উপজেলা—গলাচিপা, কলাপাড়া, রাঙ্গাবালি, বরগুনা সদর, পাথরঘাটা, আমতলী ও তালতলী—নিয়ে ‘পায়রা-কুয়াকাটা কমপ্রিহেনসিভ প্ল্যান’ গ্রহণ করা হয়েছে, যেখানে ইকো-ট্যুরিজমকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে এ পরিকল্পনার জন্য ‘অ্যাকশন এরিয়া প্ল্যান’ প্রণয়নের কাজ চলছে।
সরকারপ্রধান আশা প্রকাশ করেন, পরিকল্পনাটি চূড়ান্ত হলে পর্যটন খাতে বিনিয়োগ ও উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং বিশেষ করে কুয়াকাটায় পর্যটন শিল্পের বিকাশ ত্বরান্বিত হবে।






















































