নবগঠিত জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সাম্প্রতিক আলোচনাকে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করার ধারণা নাকচ করেছেন। তিনি বলেছেন, এই আলোচনা দেশের স্থিতিশীলতা এবং নিরাপত্তা নিয়ে ছিল, যা সম্পূর্ণ প্রাতিষ্ঠানিক।
এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, সেনাবাহিনী একটি পেশাদার প্রতিষ্ঠান এবং তাদের সাংবিধানিক ভূমিকা ও পেশাদারিত্বে আস্থা রাখেন। তিনি বলেন, এই আলোচনাকে রাজনৈতিক চাপের সঙ্গে মেলানো অন্যায্য।
হাসনাত আবদুল্লাহ আরও বলেন, আলোচনার মূল লক্ষ্য ছিল দেশের সার্বিক নিরাপত্তা এবং সবার অংশগ্রহণে একটি স্থিতিশীল পরিবেশ নিশ্চিত করা। এর সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য জড়িত নেই।
রাজনৈতিক অঙ্গনে তার এই বক্তব্যের পর মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। বিরোধী দলগুলো বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুললেও সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করা হয়নি।
তিনি সবাইকে সেনাবাহিনীর নিরপেক্ষতার ওপর আস্থা রাখার আহ্বান জানিয়ে বলেন, দেশের স্থিতিশীলতায় সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। বিভ্রান্তি ছড়ানোর সুযোগ দেওয়া উচিত নয়।
তার এই বক্তব্য দেশের রাজনৈতিক পরিবেশে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এখন দেখার বিষয়, এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব কীভাবে পরিস্থিতিকে প্রভাবিত করে।























































