সুচিন্তিত নীতি-কৌশলে মূল্যস্ফীতিতে লাগাম, আশাবাদী সরকার

0
215


খাদ্য মূল্যস্ফীতি দুই বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন: জুনে কমেছে ৭.৩৯ শতাংশে

নিজস্ব প্রতিবেদক
অন্তর্বর্তী সরকারের সুচিন্তিত নীতি ও কৌশলের ফলে দেশের মূল্যস্ফীতি ধীরে ধীরে কমে আসছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। আগামীতে মূল্যস্ফীতি আরও কমবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তিনি।

সোমবার (৭ জুলাই) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে প্রেস সচিব লিখেছেন,

“জুন ২০২৫ মাসের উপাত্ত অনুযায়ী পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট মূল্যস্ফীতি ৮.৪৮ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা ২০২৪ সালের আগস্টের তুলনায় প্রায় ২ শতাংশ কম। খাদ্য মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৭.৩৯ শতাংশে, যা গত দুই বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।”

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) প্রকাশিত তথ্যে দেখা গেছে, গত বছরের জুনে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ছিল ৯.৭২ শতাংশ। সেই তুলনায় চলতি বছরের জুনে তা উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে।

🔹 খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের দামেও স্থিতিশীলতা

প্রেস সচিব শফিকুল আলম আরও জানান,

“খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতিও হ্রাস পেতে শুরু করেছে এবং আগামীতে তা দ্রুতই কমে আসবে।”

বিবিএস জানায়, জুন মাসে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ছিল ৯.৩৭ শতাংশ, যা মে মাসে ছিল ৯.৪২ শতাংশ। যদিও গত বছরের জুনে এ হার ছিল ৯.১৯ শতাংশ, তবে সাম্প্রতিক নীতিগত হস্তক্ষেপের ফলে কমতির দিকে যাচ্ছে বলেই মনে করছেন অর্থনীতি বিশ্লেষকরা।

🔹 সরকারের পদক্ষেপ ও জনসচেতনতায় উন্নতির ইঙ্গিত

অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, মুদ্রানীতির কঠোরতা, আমদানি ব্যয় নিয়ন্ত্রণ এবং কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে নেওয়া নানা উদ্যোগ মূল্যস্ফীতি কমাতে বড় ভূমিকা রাখছে। একইসঙ্গে বাজার তদারকি জোরদার, চাহিদানুযায়ী পণ্য সরবরাহ ও সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর সম্প্রসারণও এই ইতিবাচক প্রবণতায় অবদান রাখছে।

সরকারের উচ্চপর্যায়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, খাদ্যপণ্যের উপর নির্ভরশীল পরিবারগুলোকে স্বস্তি দিতে স্বল্প আয়ের জনগোষ্ঠীর জন্য চাল, তেল ও ডালের মতো নিত্যপণ্যে টিসিবির কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করার চিন্তা চলছে।

Previous articleমুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস তুলে ধরার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার
Next articleলারার রেকর্ডে হাত না দিয়ে ইতিহাসকে সম্মান জানালেন মুল্ডার

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here