রাজবাড়ীতে নুরাল পাগলার লাশ পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনাকে ‘নিন্দনীয় ও অগ্রহণযোগ্য’ বলে আখ্যা দিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। সংগঠনটির আমীর আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী ও মহাসচিব আল্লামা সাজেদুর রহমান এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, এ ঘটনায় ধর্মপ্রাণ মানুষের অনুভূতি রক্ষায় স্থানীয় প্রশাসন চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে।
শনিবার গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে হেফাজত নেতারা বলেন, “ইসলামে লাশ পোড়ানো নিষিদ্ধ। এটি মানবিক মর্যাদার প্রশ্ন। ইসলাম প্রদত্ত এ মর্যাদা হরণ করার অধিকার কারো নেই। একটি অন্যায় রোধ করতে গিয়ে আরেকটি অন্যায় করা ইসলামে অনুমোদিত নয়।”
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, নুরাল পাগলার নানা শরিয়তবিরোধী কর্মকাণ্ড নিয়ে স্থানীয় মুসলমানরা দীর্ঘদিন ধরে ক্ষুব্ধ ছিলেন। তাঁকে ইমাম মাহদি দাবি করা, কাবার আদলে মাজার নির্মাণসহ নানা কার্যকলাপ বন্ধে স্থানীয়রা প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি দেন, এমনকি সংবাদ সম্মেলনও করেন। কিন্তু প্রশাসনের ‘অসহযোগিতা’ ও নিষ্ক্রিয়তার কারণে পরিস্থিতি সহিংসতায় রূপ নেয়।
হেফাজত নেতাদের দাবি, সংখ্যালঘুদের ধর্মীয় অনুভূতি রক্ষায় সরকার ও প্রশাসন যতটা সক্রিয় থাকে, মুসলমানদের ক্ষেত্রে ততটা থাকে না। তাঁরা অভিযোগ করেন, এ ধরনের বৈষম্য ইসলামবিদ্বেষ থেকে উৎসারিত।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকারকে আরও কঠোর হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।























































