নির্বাচনকালীন সহিংসতা ও ভয়ভীতি প্রদর্শন রোধে রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি এবং জাতীয় সংসদ সদস্য পদপ্রার্থীদের জন্য সাময়িক আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স ও সশস্ত্র রক্ষী নিয়োগের নীতিমালা জারি করেছে সরকার।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সোমবার ‘রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও জাতীয় সংসদ সদস্য পদপ্রার্থীদের অনুকূলে আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্স ও রিটেইনার নিয়োগ নীতিমালা–২০২৫’ শীর্ষক এই নীতিমালা প্রকাশ করে।
নীতিমালায় বলা হয়েছে, প্রকৃত নিরাপত্তা ঝুঁকি যাচাই করে সীমিত ক্যালিবারের আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হবে। কোনো ব্যক্তিকে একাধিক অস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হবে না এবং স্বয়ংক্রিয় বা সামরিক অস্ত্রের লাইসেন্স অনুমোদনযোগ্য নয়।
নীতিমালা অনুযায়ী, ‘রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ বলতে সরকার স্বীকৃত বর্তমান বা সাবেক উচ্চপর্যায়ের রাজনৈতিক ব্যক্তিকে বোঝানো হয়েছে। আর সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী হিসেবে বিবেচিত হবেন নির্বাচন কমিশনে বৈধভাবে মনোনয়নপত্র দাখিল ও গৃহীত প্রার্থীরা।
লাইসেন্স পাওয়ার জন্য আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে যাচাই হতে হবে। পাশাপাশি শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতা এবং অস্ত্র সংরক্ষণের নিরাপদ ব্যবস্থা থাকতে হবে।
এই লাইসেন্সের মেয়াদ থাকবে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর আরও ১৫ দিন পর্যন্ত। এরপর লাইসেন্স স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হবে। তবে সাধারণ শর্ত পূরণ সাপেক্ষে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় চাইলে সাময়িক লাইসেন্সকে স্থায়ী লাইসেন্সে রূপান্তর করতে পারবে।
নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে, একজন রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি বা প্রার্থীর জন্য সর্বোচ্চ একজন রিটেইনার নিয়োগ দেওয়া যাবে। রিটেইনারের নামে কোনো আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স ইস্যু করা হবে না; অস্ত্রের দায়ভার থাকবে লাইসেন্সধারীর ওপর।
আচরণবিধিতে উল্লেখ করা হয়েছে, অস্ত্র ব্যবহার করে কাউকে ভয়ভীতি প্রদর্শন বা হয়রানি করা যাবে না এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নির্দেশ তাৎক্ষণিকভাবে পালন করতে হবে।























































