রাখাইনে মানবিক করিডোর: বাংলাদেশের অবস্থান ও নিরাপত্তা বিবেচনা

0
220

জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান সম্প্রতি রাখাইনে মানবিক করিডর প্রতিষ্ঠা নিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, শুধুমাত্র সব পক্ষের সম্মতি পেলেই বাংলাদেশ মানবিক সহায়তা দেবে—এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই। কারণ, এতে আরও নানা বিষয় জড়িত রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ চায় না নতুন করে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঘটুক এবং এই বার্তাটি আরাকান আর্মিকে জোরালোভাবে জানানো হয়েছে। বাংলাদেশ আশা করে, রাখাইনে গঠিত নতুন প্রশাসনে রোহিঙ্গাদের প্রতিনিধিত্ব থাকবে। যদি তা না হয়, তবে তা জাতিগত নিধনের ইঙ্গিত বহন করবে, যা বাংলাদেশ কোনোভাবেই সমর্থন করতে পারে না।

আরাকান আর্মির সঙ্গে যোগাযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, সীমান্তের ওপারে বর্তমানে আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণ থাকায়, সীমান্তের নিরাপত্তা ও শান্তি বজায় রাখতে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা বাস্তব প্রয়োজন। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র এবং নিজের স্বার্থে যার সঙ্গে প্রয়োজন, তার সঙ্গে কথা বলবে।

মানবিক করিডর বিষয়ে তিনি বলেন, সব পক্ষের সম্মতি থাকলেও, বাংলাদেশ মানবিক সহায়তা দেবে কিনা, তা অন্যান্য বিষয় বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। বাংলাদেশ চায়, রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর কোনো অত্যাচার বা বৈষম্যমূলক আচরণ না হোক এবং তারা যেন আবার দলে দলে বাংলাদেশে না আসে। জাতিগত নিধন কোনো অবস্থাতেই বাংলাদেশ মেনে নেবে না।

সীমান্ত নিরাপত্তা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশের সীমান্তের নিরাপত্তার জন্য যা যা দরকার, তা করা হবে।

Previous articleওরিয়ন গ্রুপের ৬৩৫ মেগাওয়াট কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র বাতিলের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন
Next articleগাজা দখলের পরিকল্পনা: ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি?

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here