বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে নিলামের মাধ্যমে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে আরও ৬ কোটি মার্কিন ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। রোববার চারটি ব্যাংক থেকে প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৩০ পয়সা দরে এই ডলার কেনা হয়।
এ নিয়ে চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরে কেন্দ্রীয় ব্যাংক মোট ২ দশমিক ৯৩ বিলিয়ন ডলার কিনল। শুধু ডিসেম্বর মাসেই ডলার কেনার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৮০৫ মিলিয়ন ডলারে।
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র জানায়, চলতি বছরের জুলাই থেকে বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে হস্তক্ষেপের অংশ হিসেবে নিলামের মাধ্যমে ডলার কেনার এই কার্যক্রম শুরু হয়। বাজারে ডলারের সরবরাহ ও চাহিদার ভারসাম্য রক্ষা করাই এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী, ডলারের সরবরাহ বেশি ও চাহিদা কম থাকলে দর কমতে দেওয়া হয়। আবার চাহিদা বাড়লে দাম বাড়ার সুযোগ রাখা হয়—যাতে বাজার স্বাভাবিক নিয়মেই চলতে পারে।
ব্যাংকাররা বলছেন, সাম্প্রতিক সময়ে ডলারের চাহিদা কমে যাওয়ার পেছনে কয়েকটি কারণ রয়েছে। সরকারের বড় অঙ্কের বৈদেশিক পরিশোধের চাপ কমে এসেছে। পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ কার্যক্রম শ্লথ হওয়ায় মূলধনি যন্ত্রপাতি আমদানিও কমেছে।
ডলারের প্রাপ্যতা তুলনামূলক ভালো হলেও চলতি বছরের অক্টোবর শেষে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি নেমে আসে রেকর্ড সর্বনিম্ন ৬ দশমিক ২৩ শতাংশে। এর প্রভাব আমদানি কার্যক্রমেও পড়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
অন্যদিকে প্রবাসী আয়ে ইতিবাচক প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। ডিসেম্বরের প্রথম ১৭ দিনেই প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ২ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স, যা বাজারে ডলারের সরবরাহ আরও জোরালো করেছে।
চাইলে আমি এটাকে আরও ছোট করে, সংবাদ-বক্স ফরম্যাটে, অথবা অর্থনীতি পাতার উপযোগী বিশ্লেষণধর্মী লিড দিয়েও সাজিয়ে দিতে পারি।



















































