মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে সৃষ্ট বৈশ্বিক অনিশ্চয়তায় দেশবাসীকে আতঙ্কিত না হয়ে সংযত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী । একই সঙ্গে ব্যক্তি ও রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমানোর ওপর জোর দিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতির মধ্যেও সরকার জনগণের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। জ্বালানি খাতে ভর্তুকি দিয়ে হলেও বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা চলছে।
প্রধানমন্ত্রী জানান, বিশ্বের অনেক দেশে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হলেও বাংলাদেশে এখনো তা বাড়ানো হয়নি, যাতে সাধারণ মানুষ অতিরিক্ত চাপে না পড়ে। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, পরিস্থিতি বিবেচনায় সবাইকে ব্যক্তিগত ও পারিবারিক পর্যায়ে মিতব্যয়ী হতে হবে।
দেশের অর্থনীতি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, দুর্নীতি ও দুর্বল শাসনব্যবস্থার কারণে একটি চ্যালেঞ্জপূর্ণ অবস্থায় সরকার দায়িত্ব নিয়েছে। এ অবস্থায় কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা বড় অগ্রাধিকার।
শিক্ষা খাতের উন্নয়ন নিয়েও গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান বিশ্বে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে শিক্ষাব্যবস্থাকে আধুনিক ও কর্মমুখী করতে হবে। ইতোমধ্যে সে লক্ষ্যে কাজ শুরু হয়েছে।
নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, নিরাপদ সমাজ গড়ে তুলতে না পারলে উন্নয়নের উদ্যোগগুলো সফল হবে না।
অনুষ্ঠানে স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬ প্রদান করা হয় দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ। বক্তব্যের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী মুক্তিযুদ্ধের শহীদ ও বীরদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং জাতীয় ঐক্যের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।























































