ঢাকা/লন্ডন, ১২ জুন ২০২৫ — বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর বলেছেন, কম গুরুতর সম্পদ পাচারের মামলায় অভিযুক্ত ধনকুবেরদের সঙ্গে “আর্থিক নিষ্পত্তি” (financial settlement) করার বিষয়ে ভাবা হচ্ছে । তিনি ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসকে জানিয়েছেন, এভাবে দিতে পারে দেওয়ানি মামলা ও নিষ্পত্তির বিকল্প ব্যবস্থা, যা রাষ্ট্রীয় সম্পদ উদ্ধার প্রক্রিয়াকে সহজ ও দ্রুত করবে।
💰 আন্তর্জাতিক মামলাসহ আর্থিক লক্ষ্য
- বাংলাদেশের লক্ষ্য ভবিষ্যতের আন্তর্জাতিক মামলাগুলোর জন্য ১০০ মিলিয়ন ডলার সংগ্রহ করা, যার অর্ধেকই ঝুঁকিপূর্ণ মামলার জন্য ব্যবহৃত হবে ।
- কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তদন্তধারা অনুযায়ী, তৎকালীন সরকারের আওতাধীন ব্যক্তিরা fraudulent loans ও প্রকল্প জালিয়াতির মাধ্যমে বৃহৎ পরিমাণ অর্থ পাচার করেছে—এর পরিশোধের পথ হিসেবে নিষ্পত্তি বিবেচ্য হতে পারে ।
🔎 আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও আইনগত ব্যবস্থাপনা
- ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন প্রশাসন ১১টি অগ্রাধিকার তদন্ত শুরু করেছে এবং বহির্বিভাগের আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও লিটিগেশন ফান্ডারদের সাথে মেলবন্ধনে লিপ্ত ।
- Omni Bridgeway এর মত লিটিগেশন ফান্ডার ঢাকায় এসে ইতিমধ্যেই বাংলাদেশের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে; তারা মামলা পরিচালনার খরচ বহন করে বিনিময়ে নিষ্পত্তির অংশ দাবি করবে ।
⚖️ সম্মতিমূলক নিষ্পত্তির পরিপ্রেক্ষিত
- গভর্নর মনসুর বলেন, “যদি লঙ্ঘনের ধরন তুলনামূলক হালকা হয় … আমরা দেওয়ানি মামলা করব, আর আর্থিক নিষ্পত্তিও সেই প্রক্রিয়ার অংশ হবে” ।
- এই বাধ্যতামূলক সমঝোতা পদক্ষেপ বলে বোঝা যায়—নির্ভরযোগ্য এবং দ্রুত সম্পদ উদ্ধার পদ্ধতি হিসেবে nixpotti ব্যবহৃত হতে পারে।






















































