সংকটে থাকা পাঁচটি ব্যাংক যাতে রপ্তানি আয়ের অর্থ থেকে রপ্তানিকারকদের পাওনা মেটাতে পারে, সে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর। স্থায়ী সমাধানেরও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।
আজ মঙ্গলবার বিজিএমইএর নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে গভর্নর এ কথা জানান। পরে সংগঠনটি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, সাময়িক সমাধান হিসেবে ব্যাংকগুলোর গ্রাহকের প্রাপ্য অর্থ পরিশোধের ব্যবস্থা হবে। এরপর সমস্যার স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ নেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
বর্তমানে সংকটাপন্ন ব্যাংকগুলো রপ্তানি আয় এলেও তা থেকে রপ্তানিকারকের প্রাপ্য অর্থ পরিশোধ করতে পারছে না। ফলে ২০০-র বেশি পোশাক রপ্তানিকারক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।
বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু বলেন, তারল্য সংকটের কারণে ব্যাংকগুলো নতুন এলসিও খুলতে পারছে না। এতে কারখানাগুলো শ্রমিকদের বেতন–ভাতা দিতে হিমশিম খাচ্ছে, বাড়ছে শ্রমিক অসন্তোষ। পরিস্থিতি দেশের ভাবমূর্তি ও আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের আস্থাকেও নষ্ট করছে।
বিজিএমইএ নেতারা সতর্ক করে বলেন, দ্রুত সমাধান না হলে অনেক প্রতিষ্ঠান রুগ্ন শিল্পে পরিণত হবে। এতে বিপুলসংখ্যক শ্রমিক চাকরি হারানোর ঝুঁকিতে পড়বেন এবং দেশের প্রধান রপ্তানি খাত আরও বড় সংকটে পড়বে।





















































