সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে সেনাকুঞ্জে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সশস্ত্র বাহিনীকে পেশাদারিত্ব ও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। শুক্রবার সকালে অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, “বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণের জন্য আসন্ন জাতীয় নির্বাচন একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। নির্বিঘ্ন ও উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন নিশ্চিত করতে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে।”
বক্তব্যে তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদ, যুদ্ধাহত ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণ করেন। পাশাপাশি ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থানে নিহত ও আহতদের প্রতিও শ্রদ্ধা জানান।
ড. ইউনূস বলেন, ২১ নভেম্বর বাংলাদেশের সামরিক ইতিহাসে একটি মাইলফলক—১৯৭১ সালের এই দিনে সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী সম্মিলিতভাবে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযানে নামে। এই যৌথ অভিযানই ১৬ ডিসেম্বরের চূড়ান্ত বিজয়ের পথ সুগম করেছিল।
তিনি আরও বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও জাতীয় দুর্যোগে সশস্ত্র বাহিনী সবসময় জনগণের পাশে থেকেছে। ২০২৪ সালের অভ্যুত্থান ও পুনর্গঠনের সময়ও বাহিনী আস্থার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছে।
আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষায় বাংলাদেশের দীর্ঘ অবদান তুলে ধরে প্রধান উপদেষ্টা জানান, এখন পর্যন্ত ৪৩টি দেশে ৬৩টি মিশন সম্পন্ন করেছে বাংলাদেশ। বিশ্বের চ্যালেঞ্জিং মিশনগুলোতে সফল থাকতে আধুনিক প্রশিক্ষণ ও সরঞ্জাম সরবরাহ অব্যাহত রাখার কথাও বলেন তিনি।
ড. ইউনূস আশা প্রকাশ করেন, গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক নেতৃত্বের প্রতি অনুগত থেকে সশস্ত্র বাহিনী তাদের পেশাদারিত্ব বজায় রাখবে এবং দেশের প্রতি অটুট প্রতিশ্রুতি ধরে রাখবে।






















































