জুলাই আন্দোলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু করে সারাদেশে দমন–পীড়ন ছিল পরিকল্পিত—এমন অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
আজ বুধবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–১ এ সাক্ষ্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “পুলিশ আর আওয়ামী সন্ত্রাসীরা নির্বিচারে গুলি চালিয়েছিল। এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়ে গায়েবানা জানাজা ও কফিন মিছিলে পর্যন্ত হামলা হয়েছে।”
২০২৪ সালের ১৫–১৯ জুলাইয়ের ঘটনায় আহত শিক্ষার্থী, গুলি, গ্রেপ্তার, ইন্টারনেট বন্ধ রাখা ও গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের বিষয়ও তুলে ধরেন তিনি। নাহিদের দাবি, “তৎকালীন সরকার ফ্যাসিবাদী ছিল, রাজনীতির সব ক্ষেত্র দখল করেছিল। আদালতের প্রতি আস্থা না থাকায় আন্দোলনকারীরা রাজপথেই অবস্থান ধরে রাখেন।”
তিনি শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় ৪৭তম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন। ট্রাইব্যুনাল আগামীকাল বৃহস্পতিবার তাঁর বাকি জবানবন্দি রেকর্ড করবে।























































