ভেনেজুয়েলার জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা ও স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে ন্যায়ভিত্তিক ও শান্তিপূর্ণ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে তার অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (১০ অক্টোবর) নরওয়ের রাজধানী অসলোর নোবেল ইনস্টিটিউট থেকে এ বছরের শান্তিতে নোবেল বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হয়। বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টায় নোবেল কমিটির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব লাইভে ফলাফল সরাসরি প্রচারিত হয়।
ঘোষণার আগে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। জানুয়ারিতে দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় ফিরে ট্রাম্প দাবি করে আসছিলেন, তিনিই “বিশ্বের আটটি যুদ্ধের অবসান ঘটিয়েছেন” এবং নোবেল পুরস্কার তারই প্রাপ্য। তবে শেষ পর্যন্ত পুরস্কারটি গেছে ভেনেজুয়েলার এই নারী নেত্রীর হাতে।
নোবেল কমিটি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে,
“ভেনেজুয়েলা একসময় ছিল সমৃদ্ধ ও গণতান্ত্রিক দেশ। কিন্তু এখন এটি এক নিষ্ঠুর কর্তৃত্ববাদী রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে, যেখানে সাধারণ মানুষ ভয়াবহ দারিদ্র্যে দিন কাটাচ্ছে আর শাসক শ্রেণি নিজেদের সম্পদ বাড়াচ্ছে। প্রায় ৮০ লাখ মানুষ দেশ ত্যাগে বাধ্য হয়েছেন।”
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “গণতান্ত্রিক উন্নয়নের জন্য নিবেদিত সংগঠন ‘সুমাতে’র সহপ্রতিষ্ঠাতা হিসেবে মাচাদো দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পক্ষে লড়েছেন। তিনি বলেছিলেন, ‘এটা ছিল বুলেট নয়, ব্যালটের লড়াই।’”
গত বছর (২০২৪) শান্তিতে নোবেল পেয়েছিল জাপানি সংগঠন নিহন হিদানকিয়ো, যারা পারমাণবিক অস্ত্রের বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে।
প্রতি বছর চিকিৎসা, পদার্থবিদ্যা, রসায়ন, সাহিত্য, শান্তি ও অর্থনীতিতে অসামান্য অবদানের জন্য নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়।
পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান হবে আগামী ১০ ডিসেম্বর, আলফ্রেড নোবেলের মৃত্যুবার্ষিকীতে। বিজয়ীরা পাবেন ১ কোটি ১০ লাখ সুইডিশ ক্রোনর, একটি সোনার পদক ও সম্মাননাপত্র।





















































