মঙ্গলবার ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, যথাযথ প্রস্তুতি ছাড়া উত্তরণ হলে অর্থনীতি চাপের মুখে পড়বে। তার আশঙ্কা—বাণিজ্য সুবিধা হারালে পোশাক খাত ক্ষতিগ্রস্ত হবে, সহজ শর্তে ঋণ ও বৈদেশিক সহায়তার প্রবাহ কমতে পারে। এতে রিজার্ভ ও ঋণের চাপ আরও বাড়বে।
তিনি উল্লেখ করেন, এলডিসি মর্যাদা হারালে ওষুধের পেটেন্ট ছাড় ও ভর্তুকি সুবিধা শেষ হয়ে যাবে, ফলে দাম বাড়তে পারে। একই সঙ্গে এককভাবে পোশাকশিল্পের ওপর নির্ভরশীলতা পুরো অর্থনীতিকে ঝুঁকির মুখে ফেলবে।
সমাধান হিসেবে তারেক রহমান রপ্তানি খাতের বহুমুখীকরণ, আইসিটি ও ওষুধশিল্পে বিনিয়োগ, আর্থিক শৃঙ্খলা জোরদার, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং আধুনিক বাণিজ্য অবকাঠামো নির্মাণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তার ভাষায়, “আমাদের শ্রমিক, কৃষক ও তরুণ প্রজন্মকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে রাখা উচিত হবে না। উত্তরণের সুফল পেতে হলে বাস্তব অগ্রগতি নিশ্চিত করতে হবে।”






















































