বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, একটি শ্রেণি আওয়ামী লীগ স্টাইলে নির্বাচন করার স্বপ্ন দেখছে। তবে বাংলাদেশের জনগণ আর সেই ধরনের নির্বাচন মেনে নেবে না।
শুক্রবার বিকেলে চট্টগ্রাম নগরীর আন্দরকিল্লা শাহী জামে মসজিদের উত্তর গেটে মহানগর জামায়াত আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
রফিকুল ইসলাম বলেন, জুলাই হত্যাকাণ্ডের দৃশ্যমান বিচার শেষে অনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (পিআর) পদ্ধতিতে নির্বাচন দিতে হবে। তিনি দাবি করেন, অন্তর্বর্তী সরকার জনগণকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, ফ্যাসিবাদী শক্তির বিচার করবে, পাচারকৃত টাকা ফেরত আনবে এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি করবে। কিন্তু এখনো লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হয়নি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিরও উন্নতি হয়নি।
তিনি অভিযোগ করেন, ‘‘বর্তমান সরকার দলীয় সরকার নয়, কিন্তু সরকারের ভেতরে কিছু মানুষ ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। জনগণ তাদেরও প্রতিরোধ করবে।’’
জামায়াতের এই নেতা পিআর পদ্ধতির পক্ষে গণভোটেরও দাবি জানান। তিনি বলেন, জনগণ যদি পিআরের বিপক্ষে রায় দেয়, জামায়াত সেটি মেনে নেবে। তবে জনগণ যে পিআরের পক্ষে—এ ব্যাপারে তারা নিশ্চিত।
জামায়াতের কেন্দ্রীয় ঘোষিত পাঁচ দফা দাবির মধ্যে আছে—আগামী ফেব্রুয়ারিতে জুলাই জাতীয় সনদের ভিত্তিতে নির্বাচন, সংসদের উভয় কক্ষে পিআর পদ্ধতি চালু, সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা, ফ্যাসিস্ট সরকারের জুলুম-নির্যাতন ও দুর্নীতির বিচার এবং জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা।
চট্টগ্রামের সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন মহানগরীর ভারপ্রাপ্ত আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা মুহাম্মদ শাহজাহান।
এদিকে বরিশালে আয়োজিত সমাবেশে জামায়াতের নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেন, জাতীয় পার্টি ও ১৪ দল ফ্যাসিস্টদের সহযোগিতা করেছে। তাদের পরিণতি ফ্যাসিস্টদের মতোই হবে।
বরিশাল মহানগর আমির জহির উদ্দিন মুহাম্মদ বাবরের সভাপতিত্বে সমাবেশ শেষে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি নগরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে শেষ হয়।























































