অন্তর্বর্তী সরকারের দুই উপদেষ্টা—যুব ও ক্রীড়া, স্থানীয় সরকার ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মাহফুজ আলম—পদত্যাগ করেছেন।
বুধবার বিকেল ৫টার দিকে তাঁরা প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনায় গিয়ে পদত্যাগপত্র জমা দেন। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় যমুনার সামনে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের মুখপাত্র শফিকুল আলম। তিনি বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই তাদের পদত্যাগ কার্যকর হবে।
জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া এই দুই তরুণকে প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগপত্র গ্রহণের সময় শুভকামনা জানিয়ে বলেন, “অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দিয়ে তোমরা জাতিকে যে অবদান দিয়েছ, তা জাতি মনে রাখবে। ভবিষ্যতেও গণতান্ত্রিক উত্তরণে সক্রিয় ভূমিকা রাখবে বলে আমি বিশ্বাস করি।”
তিনি আরও বলেন, এত অল্প সময়ে তাঁদের কাজ ‘ঐতিহাসিক’, এবং বৃহত্তর পরিসরে ভবিষ্যতে আরও বড় ভূমিকা রাখার আশা ব্যক্ত করেন।
বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে আসিফ মাহমুদ জানান, তিনি জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেবেন। তবে কোন দল বা আসন থেকে লড়বেন তা স্পষ্ট করেননি। কয়েক দিন আগে তিনি কুমিল্লা থেকে পরিবর্তন করে ঢাকা-১০ আসনের ভোটার হন।
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গত বছরের ৮ আগস্ট উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নেন আসিফ মাহমুদ। তিনি প্রথমে শ্রম উপদেষ্টা, পরে যুব ও ক্রীড়া, স্থানীয় সরকার ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান। অন্যদিকে মাহফুজ আলম প্রথমে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ছিলেন, পরে তথ্য ও সম্প্রচারের উপদেষ্টা হন।
বুধবার সন্ধ্যা সোয়া ৬টার সংবাদ সম্মেলনে পদত্যাগ–সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়ার কথা রয়েছে।























































