ইউক্রেনে পশ্চিমা সেনা মোতায়েনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান পুতিনের

0
106

সতর্কবার্তা রুশ প্রেসিডেন্টের, বিদেশি সেনা ঢুকলে হবে ‘লক্ষ্যবস্তু’

ইউক্রেনে ‘আশ্বাস প্রদানকারী’ পশ্চিমা সেনা পাঠানোর প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেছেন, ইউক্রেনের মাটিতে কোনো বিদেশি সেনা মোতায়েন করা হলে, তাদের রুশ সেনাবাহিনী বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচনা করবে।

প্যারিসে নিরাপত্তা নিশ্চয়তা বিষয়ক সম্মেলনের পরদিন পুতিন এই মন্তব্য করেন। ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ জানিয়েছেন, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলে ২৬টি মিত্র দেশ ইউক্রেনকে নিরাপত্তা নিশ্চিতে স্থল, সমুদ্র ও আকাশপথে সেনা পাঠাতে সম্মত হয়েছে। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, এ বাহিনীর উদ্দেশ্য রাশিয়াকে আক্রমণ নয়, ভবিষ্যতের আগ্রাসন ঠেকানো।

পুতিন বলেন, “এখনই সেনা মোতায়েনের কোনো পরিকল্পনা নেই। কিন্তু কোনো বিদেশি সেনা ইউক্রেনে প্রবেশ করলে তারা আমাদের বৈধ লক্ষ্যবস্তু হবে।”

সম্প্রতি আলাস্কায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের পর ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে শান্তি আলোচনার আশা জাগলেও, শুক্রবার পুতিন জানান, আলোচনায় বসতে তিনি প্রস্তুত, তবে “এর কোনো অর্থ দেখি না”।

রাশিয়ার মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ ট্রাম্পের ভূমিকার প্রশংসা করলেও, ইউরোপীয় দেশগুলোর সমালোচনা করে বলেন, “তারা যুদ্ধকে দীর্ঘায়িত করছে।”

অন্যদিকে ন্যাটো প্রধান মার্ক রুটে মন্তব্য করেছেন, “ইউক্রেনে সেনা পাঠানো হবে কি না, সে সিদ্ধান্ত সার্বভৌম দেশের। রাশিয়ার অনুমতি নেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।”

যুক্তরাজ্য, জার্মানি ও ফ্রান্স ইউক্রেনকে শক্তিশালী নিরাপত্তা নিশ্চয়তা দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। তবে মস্কো বলছে, দীর্ঘস্থায়ী শান্তি চুক্তির জন্য বিদেশি সেনা একেবারেই প্রয়োজন নেই।

Previous articleকাকরাইলে জাপা কার্যালয়ে ফের হামলা, অগ্নিসংযোগ
Next articleরাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ ১০০ ঋণখেলাপি মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্যোগ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here