বাংলাদেশে গ্যাসের শুল্ক বৃদ্ধি নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে শিল্প খাতে বিনিয়োগ আকর্ষণের সম্ভাবনা এবং অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতা। ১৩ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) গ্যাসের শুল্ক ৩৩% বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত বিভিন্ন পর্যায়ে নানান প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে।
এ শুল্ক বৃদ্ধি বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা সংকট তৈরি করেছে, বিশেষত যখন প্রতিবেশী দেশগুলো তুলনামূলকভাবে কম শুল্ক নিয়ে এলএনজি আমদানির মাধ্যমে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান বজায় রেখেছে।
মূল সমস্যাগুলো:
- অপ্রতিযোগিতামূলক শুল্ক হার: ভিয়েতনাম এবং ভারতের তুলনায় বাংলাদেশের শুল্ক হার অত্যন্ত বেশি।
- পদ্ধতিগত সমস্যা: গ্যাসের সিস্টেম লস ১৩.৫৩%, যেখানে গ্রহণযোগ্য সীমা মাত্র ২%।
- অপরিকল্পিত মূল্য বৃদ্ধি: হঠাৎ করে এবং বড় আকারে গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধির ফলে শিল্প খাতের ব্যয় বাড়ছে।
সম্ভাব্য সমাধান:
- অভ্যন্তরীণ গ্যাস অনুসন্ধান: দীর্ঘমেয়াদি সমস্যার সমাধানে খনিজ অনুসন্ধান কার্যক্রম বাড়াতে হবে।
- পুনর্বিবেচিত শুল্কনীতি: এলএনজি আমদানিতে কর ও শুল্ক কমানো এবং মূল্য কাঠামো সহজ করা।
- অদক্ষতা কমানো: রিগ্যাসিফিকেশন, সংরক্ষণ, এবং বিতরণ ব্যবস্থায় বিনিয়োগ বাড়ানো।
- বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ: শিল্প খাতে বিনিয়োগ আকর্ষণে বিশেষ প্রণোদনা এবং ন্যায্য মূল্য কাঠামো নিশ্চিত করা।
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যে জ্বালানি খাতে নীতিগত স্থিতিশীলতা এবং প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ তৈরির ওপর বিশেষ জোর দেওয়া অপরিহার্য।






















































