চট্টগ্রাম, ৯ জুলাই — বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগ সহজ করতে পরিকল্পিত ফ্রি ট্রেড জোনগুলোতে (এফটিজেড) ‘ওয়ান পেইজ লাইসেন্স’ বা এক পাতার সহজীকৃত লাইসেন্স ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন । তাঁর ভাষ্য, সরকার নীতিগতভাবে এ উদ্যোগে সম্মতি দিয়েছে।
বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে ইতালীয় টেক্সটাইল প্রযুক্তিবিষয়ক কর্মশালা ও বিজনেস-টু-বিজনেস (বিটুবি) বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।
আমিরুল হক বলেন, চট্টগ্রাম ও মাতারবাড়ীর প্রস্তাবিত ফ্রি ট্রেড জোনে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা একটি সহজীকৃত লাইসেন্সের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠান নিবন্ধন ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবেন। এতে প্রশাসনিক জটিলতা কমবে এবং বাংলাদেশে ব্যবসা শুরু করা আরও সহজ হবে।
তিনি জানান, বর্তমানে বাংলাদেশ ইতালিতে বছরে প্রায় ২০০ কোটি মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য রপ্তানি করে। ভবিষ্যতে এই রপ্তানি ৫০০ কোটি ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
সিসিসিআই সভাপতি বলেন, টেক্সটাইল, সিরামিক ও মেশিনারি খাতে ইতালীয় প্রযুক্তি ব্যবহারে বাংলাদেশ আগ্রহী। বিশেষ করে ইতালির উন্নত শিল্পযন্ত্র ও প্রযুক্তি দেশের উৎপাদনশীলতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত বলেন, প্রযুক্তিগত অংশীদারত্ব সম্প্রসারণ এবং ইতালীয় কোম্পানিগুলোকে নতুন বিনিয়োগের সুযোগ করে দেওয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক আরও গভীর করতে চায় ইতালি।
তিনি জানান, ইতালিয়ান ট্রেড এজেন্সির উদ্যোগে ১১টি ইতালীয় টেক্সটাইল মেশিনারি প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের একটি প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ সফরে এসেছে। তারা সর্বাধুনিক প্রযুক্তি প্রদর্শনের পাশাপাশি স্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অংশীদারত্বের সুযোগ খুঁজছে।
কর্মশালায় প্রযুক্তি হস্তান্তর, বিনিয়োগ ও দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। এতে দেশের শীর্ষ শিল্পোদ্যোক্তা, ইতালীয় মেশিনারি প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান এবং বাংলাদেশের পোশাক ও টেক্সটাইল খাতের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।























































