২০১৬ সালে মৃত্যুর আগে রেখে যাওয়া শেষ অ্যালবাম ব্ল্যাকস্টার-এ নিজের মৃত্যু মেনে নেওয়ার স্বীকারোক্তি করেছিলেন ডেভিড বোয়ি। কিন্তু গোপনে শুরু করেছিলেন আরেকটি কাজ—আঠারো শতকের প্রেক্ষাপটে নির্মিত নাট্যসঙ্গীত দ্য স্পেকটেটর।
এই প্রকল্পটির কথা জানতেন না তাঁর নিকটতম সহযোগীরাও। মৃত্যুর পর নিউইয়র্কে ব্যক্তিগত পড়ার ঘরে তালাবদ্ধ অবস্থায় নোটগুলো পাওয়া যায়। সম্প্রতি সেই নোট যুক্তরাজ্যের ভিক্টোরিয়া অ্যান্ড অ্যালবার্ট মিউজিয়ামে দান করা হয়েছে।
কালো কালি দিয়ে লেখা নোটে বোয়ি সাজিয়েছিলেন আঠারো শতকের লন্ডনের কাহিনি—অপরাধ, ব্যঙ্গ, প্রেম আর বৈপরীত্যে ভরা এক শহর। তিনি লিখেছিলেন জ্যাক শেফার্ড নামের এক চোরের গল্প, যাকে ধরিয়ে দিয়েছিলেন জনাথন ওয়াইল্ড। সেই দ্বন্দ্বকেই তিনি দাঁড় করাতে চেয়েছিলেন নাটকের কেন্দ্রে।
সংগ্রহশালার কিউরেটররা জানালেন, বোয়ি শুধু চরিত্র নয়, খুঁজছিলেন শিল্প কীভাবে রাজনৈতিক ব্যঙ্গের হাতিয়ার হয়ে ওঠে। হয়তো ভাবছিলেন, শিল্প এখনো কি পরিবর্তনের শক্তি হতে পারে।
আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর লন্ডনের হ্যাকনি উইকে খুলছে ডেভিড বোয়ি সেন্টার। সেখানে প্রদর্শিত হবে তাঁর আর্কাইভের ২০০টি উপকরণ। গবেষকদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে পুরো সংগ্রহ।
কিউরেটর মাদেলেইন হ্যাডন বললেন, “এ আর্কাইভ শুধু স্মৃতি নয়, নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার ভাণ্ডার।”






















































