সচিব ও গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা নিয়োগে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়কে স্বাধীন করার প্রস্তাব নাকচ করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। বিশেষজ্ঞদের মতে, এতে নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কারের অন্যতম বড় পদক্ষেপ আটকে গেল।
সম্প্রতি আইন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে পাঠানো খসড়া অধ্যাদেশে ‘নির্বাচন কমিশন সার্ভিস’ গঠনের প্রস্তাব দেয় ইসি। এতে নিজস্ব সচিব ও শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তা নিয়োগের ক্ষমতা চাওয়া হয়। কিন্তু মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি জানায়, এ ধরনের সার্ভিস গঠন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ারভুক্ত।
নির্বাচন বিশেষজ্ঞ বদিউল আলম মজুমদার বলেন, “সংস্কার মানে নতুন কিছু তৈরি বা বিদ্যমান ব্যবস্থাকে হালনাগাদ করা। অজুহাত দেখিয়ে সংস্কার আটকে দেওয়া হলে আর কিছু বলার থাকে না।”
ইসির সাবেক কর্মকর্তা জেসমিন তুলি মনে করেন, কমিশনকে স্বাধীন করতে হলে সব পর্যায়ে নিজেদের কর্মকর্তা থাকতে হবে। অন্যদিকে কয়েকজন সাবেক সচিব মনে করেন, শুধু প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের দায়ী করা ঠিক নয়; রাজনৈতিক চাপই অনেক সময় তাদের পক্ষপাতমূলক সিদ্ধান্তে ঠেলে দেয়।
এ ছাড়া খসড়ায় এনআইডি ডেটাবেসের দায়িত্ব ইসিকে দেওয়ার প্রস্তাবও কমিটি প্রত্যাখ্যান করেছে। নির্বাচন কর্মকর্তারা বলছেন, দুটি প্রস্তাবের ক্ষেত্রে সরকারের অবস্থান স্ববিরোধী।
ইসির কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন, কমিশন সার্ভিস গঠনের দাবি বাস্তবায়িত না হলে আসন্ন জাতীয় নির্বাচন বিশ্বাসযোগ্যতা হারাতে পারে।























































