বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান জানিয়েছেন, দলটি আগামী শিক্ষানীতিতে স্কুলপর্যায় থেকেই ব্যবহারিক ও কারিগরি শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা করছে। এতে শিক্ষার্থীরা স্কুল, কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয় শেষে বেকার হয়ে বসে থাকতে হবে না; বরং বাস্তব অভিজ্ঞতার কারণে তারা দ্রুত চাকরি বা উদ্যোক্তা হওয়ার সুযোগ পাবে।
মূল বক্তব্যসমূহ:
- স্কুলপর্যায় থেকে কারিগরি শিক্ষা: আইটি, ডেন্টাল হাইজিন, মেডিকেল টেকনিশিয়ান, একাধিক ভাষা শেখা ইত্যাদি বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
- কর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা উন্নয়ন: প্রতিটি জেলায় ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প স্থাপনে সহায়তা করা হবে, যাতে তরুণরা উদ্যোক্তা হয়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারে।
- ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম: বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের পণ্যের প্রবেশাধিকার বাড়াতে বিশ্বমানের ই-কমার্স অবকাঠামো তৈরি করা হবে।
- আউটসোর্সিং ও বৈদেশিক আয়: ফ্রিল্যান্সারদের বৈদেশিক আয় দেশে আনার জন্য নিরাপদ আন্তর্জাতিক লেনদেন নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা পরিবেশ: বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণার পরিবেশ উন্নয়ন, আবাসন সংকট নিরসন ও খাবারের মানোন্নয়ন নিশ্চিত করা হবে।
তারেক অভিযোগ করেন, “ফ্যাসিস্ট চক্র শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিয়েছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে সন্ত্রাসীদের নিরাপদ আস্তানা বানিয়েছে।”
তিনি বলেন, বিএনপির নীতি হবে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, নিরাপদ কর্মপরিবেশ এবং মানবিক মূল্যবোধে উজ্জীবিত কর্মমুখী শিক্ষা।






















































